High Court Refuses Divorce Plea: ৫৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইতি টানতে চেয়ে হাইকোর্টে বৃদ্ধ দম্পতি! তারপর…

Rajasthan High Court News: তারপর থেকে তাঁকে নানা ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। বৃদ্ধের আরও দাবি, তাঁর স্থাবর সম্পত্তি বড় পুত্রের নামে লেখানোর জন্য স্ত্রী চাপ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু তিনি চান, দুই পুত্রের মধ্যেই সমান ভাবে সম্পত্তি ভাগ হোক। তবে এই সকল অভিযোগ তুলেই ক্ষান্ত হননি তিনি। স্ত্রীয়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

High Court Refuses Divorce Plea: ৫৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইতি টানতে চেয়ে হাইকোর্টে বৃদ্ধ দম্পতি! তারপর...
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Gemini

|

Feb 15, 2026 | 7:25 PM

জয়পুর: ৫৮ বছরের দাম্পত্য জীবনে ইতি টানতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ এক বৃদ্ধ। স্ত্রীর থেকে বিচ্ছেদ চেয়েই বিচারপতির কাছে গেলেন তিনি। কিন্তু আর্জি শুনল না আদালত। বৃদ্ধের যুক্তিকে খণ্ডন করে বিচ্ছেদের বিষয়টি খারিজ করে দেয় রাজস্থান হাই কোর্ট। আদালতের সাফ পর্যবেক্ষণ, ছোট ছোট বিষয়ে কথা কাটাকাটি হতেই পারে, তা থেকে মতবিরোধও জন্ম নিতে পারে। কিন্তু এটা কোনও ভাবেই অত্যাচারের সমান নয়।

১৯৬৭ সালের ২৯ জুন বিয়ে হয়েছিল এই দম্পতির। যুগের পর যুগ একসঙ্গেই কাটিয়েছেন তাঁরা। সমস্য়ার সূত্রপাত ২০১৩ সাল। ৪৬ বছরের সংসারে প্রথম কাটল দাগ। ২০১৪ সালের ২৬ মে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করলেন বৃদ্ধ। দাবি, ওই বছর তাঁর বিরুদ্ধে পণের জন্য অত্যাচারের অভিযোগ তুলে এফআইআর করেন স্ত্রী। তারপর থেকে তাঁকে নানা ভাবে হেনস্থা করা হয়েছে। বৃদ্ধের আরও দাবি, তাঁর স্থাবর সম্পত্তি বড় পুত্রের নামে লেখানোর জন্য স্ত্রী চাপ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু তিনি চান, দুই পুত্রের মধ্যেই সমান ভাবে সম্পত্তি ভাগ হোক। তবে এই সকল অভিযোগ তুলেই ক্ষান্ত হননি তিনি। স্ত্রীয়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

পাল্টা বৃদ্ধের স্ত্রীয়ের দাবি, তাঁর স্বামী সন্তানদের সম্পত্তি না দিয়ে পরিবারের অন্য় সদস্যদের মধ্যে তা ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। এই ঘটনায় জড়িত রয়েছেন তাঁর দেওরও। সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জল্পনাও জুড়ে দেন তিনি। এই মর্মে স্বামীর বিরুদ্ধে একটি এফআইআরও দায়ের করেন তিনি। এরপর ভরতপুর পারিবারিক আদালতে উভয়পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় শুনানি। কিন্তু এত বছর সংসার করার পর বিবাহবিচ্ছেদ তাঁদের পরিবারের উপর প্রভাব ফেলবে, এই যুক্তিতেই বৃদ্ধ দম্পতির আর্জি খারিজ করেন বিচারক। এরপরেই হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন তাঁরা। কিন্তু সেখানেও আর্জি খারিজ করে দেন বিচারপতি সুদেশ বনশল এবং বিচারপতি অনিল কুমার উপমানের ডিভিশন বেঞ্চ।