
নয়াদিল্লি: অপারেশন সিঁদুর, পাকিস্তানের অন্দরে ঢুকে সন্ত্রাসঘাঁটি ধ্বংস। ২০২৫ সালে ঠিক যতটা ব্যাকফুটে পড়তে হয়েছে ভারত, ততটাই ফিরিয়েও দিয়েছে এই দেশ। আর সেই সাফল্যকে মাথায় রেখে রবিবার প্রস্তাবিত বাজেটে বাড়ানো হল প্রতিরক্ষা খাতের খরচ। দেশের প্রতিরক্ষার স্বার্থে আরও টাকা ঢালার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।
গতবছর বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য ধার্য হয়েছিল মোট ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা। তবে চলতি বছর সেই অর্থের পরিমাণ ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে করা হল ৭.৮৫ লক্ষ কোটি টাকা। এই মোট বাজেটের একটি বড় অংশ, প্রায় ২.১৯ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করা হবে মূলধনী ব্যয় হিসাবে। প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই টাকা দিয়ে আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং তিন বাহিনী আধুনিকীকরণের কাজ করা হবে।
এছাড়াও মোট বাজেটের মধ্যে থেকেই আবার ১.৮৫ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করা হবে নতুন সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য। সুতরাং বলা যেতে পারে, এই বছরে আরও বেশি বন্দুক, যুদ্ধবিমান-সহ নানাবিধ প্রতিরক্ষা সামগ্রী আসতে চলেছে দেশে। নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, চলতি বছরের মোট বাজেটের ২ শতাংশ ধার্য করা হয়েছিল প্রতিরক্ষার জন্য়। তবে এই টাকা যে বিদেশি পণ্য আমদানিতে খরচ হবে এমন নয়। বরং সেনাকে আরও বেশি আত্মনির্ভর করতেই খরচ করা হবে বরাদ্দ টাকা। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের আওতায় আরও বেশি দেশীয় সামরিক পণ্য তৈরি করতে আগ্রহী নয়াদিল্লি। এছাড়াও বাড়তি নজর দেওয়া তিন বাহিনীতে কর্মরত জওয়ানদের স্বাস্থ্যের উপরেও।
প্রসঙ্গত, একদিকে উপত্যকা জুড়ে বাড়ন্ত সন্ত্রাস-হুঁশিয়ারি। অন্যদিকে বাংলাদেশে বদলে যাওয়া পরিস্থিতি। চিনের সঙ্গে সম্পর্ক কিছুটা সামাল দেওয়া গেলেও, তা এখনও অম্লমধুর। এই পরিস্থিতি প্রতিরক্ষা খাতের জন্য মোট বাজেটের ২ শতাংশ বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে যথাযথ বলেই অভিহিত করছে ওয়াকিবহাল মহল।