Delhi SWAT Commando Killed: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা, কমান্ডো স্ত্রীকে ডাম্বেল মেরে খুন স্বামীর

Delhi News: কাজলের পরিবার তা দিতে না পারায় স্ত্রীয়ের উপর প্রতিদিন মারধর করতেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ। বলে রাখা প্রয়োজন, এই সময়কালে হরিয়ানাতেই থাকতেন কাজল-অঙ্কুর। তবে বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সে দিল্লি পুলিশের আধিকারিক পদে চাকরি পেলে তারপর দম্পতি চলে যান রাজধানীতে। পরিবারের অভিযোগ, এই সময়কালেই অত্যাচার আরও বেড়ে যায়।

Delhi SWAT Commando Killed: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা, কমান্ডো স্ত্রীকে ডাম্বেল মেরে খুন স্বামীর
ভয়াবহ ঘটনাImage Credit source: সংগৃহিত (Social Media)

|

Jan 29, 2026 | 1:28 PM

নয়াদিল্লি: ডাম্বেল দিয়ে মাথায় আঘাত, অতিরিক্ত রক্তপাতের জেরে হাসপাতালেই মৃত্যু দিল্লি পুলিশের মহিলা কমান্ডোর। কাঠগড়ায় স্বামী। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে, হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনা দিল্লির। মৃতের নাম কাজল চৌধুরি। তিনি পেশায় দিল্লি পুলিশের SWAT-এর বিশেষ কমান্ডো পদে ছিলেন। ২০২২ সালে নিজের স্নাতক স্তরের পড়াশোনার সময় অঙ্কুরের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। এরপর বন্ধুত্ব এবং সেই থেকে প্রেম। ঠিক এক বছরের মাথায় ২০২৩ সালে বিয়ে করে তাঁরা। অঙ্কুর আবার প্রতিরক্ষা দফতরে করণীর কাজ করতেন।

কাজলের বাবা ও ভাইয়ের দাবি, বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় শুরু হয় মারধর। যৌতুক হিসাবে অঙ্কুর বাড়ি ও গাড়ি চেয়েছিলেন। কিন্তু কাজলের পরিবার তা দিতে না পারায় স্ত্রীয়ের উপর প্রতিদিন মারধর করতেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ। বলে রাখা প্রয়োজন, এই সময়কালে হরিয়ানাতেই থাকতেন কাজল-অঙ্কুর। তবে বিয়ের কয়েকদিনের মধ্যেই সে দিল্লি পুলিশের আধিকারিক পদে চাকরি পেলে তারপর দম্পতি চলে যান রাজধানীতে। পরিবারের অভিযোগ, এই সময়কালেই অত্যাচার আরও বেড়ে যায়।

২২ জানুয়ারি, রাত ১০টা। বিবাদ তুঙ্গে চড়ে কাজল-অঙ্কুরের মধ্যে। প্রসঙ্গ সেই যৌতুক। পরিবারের অভিযোগ, ওই সময়েই কাজলের মাথায় ডাম্বেল দিয়ে আঘাত করেন অঙ্কুর। গোটা ঘর রক্তে ভেসে যায়। তড়িঘড়ি দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কাজলকে। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ২৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার জীবন-মরণের লড়াইয়ে হেরে যান কাজল।

এদিন কাজলের বাবা বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমার মেয়ে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। আজ একটা প্রাণকে শেষ করা হয়নি। বরং দু’টো খুন হয়েছে। অঙ্কুর নিজের হাতে নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে খুন করেছে।’ ইতিমধ্যেই পরিবারের তরফ থেকে একটি খুনের মামলা দায়ে করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী অঙ্কুর।