Patient Death in Ambulance: ১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকেও পেট্রোল দিল না! অ্যাম্বুল্যান্সেই পড়ে পড়ে মৃত্যু হল রোগীর
Petrol Pump Refusal Ambulance: জ্বালানির অপেক্ষা করেও না পেয়ে, শেষে অ্যাম্বুল্যান্স বেরয় কিন্তু সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে না পেরে রোগীর মৃত্যু হয়। এরপরই পরিবার ও অ্যাম্বুল্যান্স মালিক ওই পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার অশোক কুমার ভারতীর বিরুদ্ধে এসেনশিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্টের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন।

পটনা: পেট্রোল দিতে অস্বীকার। অ্যাম্বুল্যান্সের তাই হাসপাতালে যাওয়া হল না। অ্যাম্বুল্যান্সের ভিতরেই মৃত্যু হল রোগীর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে জানতে পেরেছে, পাম্পে যথেষ্ট পেট্রোল ছিল। তাহলে কেন অ্যাম্বুল্যান্সকে জ্বালানি দেওয়া হল না?
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের দ্বারভাঙা জেলায়। তেনগ্রাহীর বাসিন্দা, বছর পঞ্চাশের এক ব্যক্তি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল হাসপাতালে। মাঝপথে অ্যাম্বুল্যান্সের তেল ফুরিয়ে যাওয়ায়, অ্যাম্বুল্যান্স পেট্রোল পাম্পে ঢোকে। কিন্তু পেট্রোল পাম্পের তরফে পেট্রোল দিতে অস্বীকার করা হয়।
প্রায় ১৫ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে অ্যাম্বুল্যান্সটি অপেক্ষা করছিল। জ্বালানির অপেক্ষা করেও না পেয়ে, শেষে অ্যাম্বুল্যান্স বেরয় কিন্তু সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছতে না পেরে রোগীর মৃত্যু হয়। এরপরই পরিবার ও অ্যাম্বুল্যান্স মালিক ওই পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার অশোক কুমার ভারতীর বিরুদ্ধে এসেনশিয়াল কমোডিটিস অ্যাক্টের অধীনে অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভিতে দেখা গিয়েছে, রাত ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ অ্যাম্বুল্যান্সটি পেট্রোল ভরাতে এসেছিল। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার ও কর্মীরা জানান যে পর্যাপ্ত পেট্রোল নেই, তাই দেওয়া যাবে না। এদিকে, রেকর্ড খতিয়ে দেখা যায় যে ওই দিন যথেষ্ট পেট্রোল-ডিজেল ছিল। ৪৫৯৫ লিটার মোটর স্পিরিট, ৪৭৮৪ লিটার হাই স্পিড ডিজেল ও ৩৪৭৫ লিটার প্রিমিয়াম পেট্রোল ছিল। জেলাশাসক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত ম্যানেজার।
