AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

মদের নেশায় চুর, ক্লাসেই মলত্যাগ প্রধান শিক্ষকের, পরিষ্কার করান ছোট্ট বাচ্চাদের দিয়ে!

School Education: ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন অভিভাবক ও গ্রামবাসীরাও। তারা জানিয়েছেন, কোনওদিনই নির্দিষ্ট সময়ে আসেন না প্রধান শিক্ষক। দুপুরের দিকে আসেন। কোনও কাজ করেন না। নিয়মিত ক্লাস হয় না, মিড-ডে মিলও ঠিকমতো পায় না পড়ুয়ারা।

মদের নেশায় চুর, ক্লাসেই মলত্যাগ প্রধান শিক্ষকের, পরিষ্কার করান ছোট্ট বাচ্চাদের দিয়ে!
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক।Image Credit: X
| Updated on: Aug 09, 2026 | 8:26 AM
Share

ভোপাল: তিনি নাকি প্রধান শিক্ষক! ছোট ছোট শিশুদের পড়াশোনা শেখাবেন, জীবনের পাঠ দেবেন, এটাই তাঁর কাজ। কিন্তু তিনি স্কুলে আসেন মদ্যপ অবস্থায়। শৌচাগার থাকা সত্ত্বেও কখনও ক্লাসে, কখনও স্কুল চত্বরেই মলত্যাগ করেন। এখানেই শেষ নয়, সেই মল পরিষ্কার করান স্কুলে পড়তে আসা ছোট ছোট শিশুদের দিয়ে। ভয়ঙ্কর অভিযোগ প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

মধ্য প্রদেশের মাইহার জেলার আমুরা প্রাথমিক স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করিয়ে এখন পস্তাচ্ছেন অভিভাবকরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে ছোট ছোট বাচ্চারাও। এক খুদে পড়ুয়া বলে, “স্যর মত্ত অবস্থায় আসে। স্কুলেই মলত্যাগ করেন এবং আমাদের সেটা পরিষ্কার করতে বাধ্য করেন। উনি গুটখা খান, স্কুলের সর্বত্র পিক ফেলেন।”

তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া, তাঁকে দিয়েও নিজের মল পরিষ্কার করিয়েছেন। ওই পড়ুয়া বলে, “স্যর গালিগালাজ করেন। মত্ত অবস্থায় স্কুলে আসেন। আমাদের গুণের নামতাও শেখান না।”

ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন অভিভাবক ও গ্রামবাসীরাও। তারা জানিয়েছেন, কোনওদিনই নির্দিষ্ট সময়ে আসেন না প্রধান শিক্ষক। দুপুরের দিকে আসেন। কোনও কাজ করেন না। নিয়মিত ক্লাস হয় না, মিড-ডে মিলও ঠিকমতো পায় না পড়ুয়ারা। ওরা পড়াশোনা না করে, ঘুরে বেড়ায়। পড়ুয়াদের দিয়ে উনি স্কুল ঝাড় দেওয়ান, জল বইয়ে আনেন।

আরও অভিযোগ, ওই প্রধান শিক্ষক স্কুলের সর্বত্র গুটখার পিক ফেলে রাখেন। মত্ত অবস্থায় মলত্যাগও করে ফেলেন। সেই সমস্ত কিছু বাচ্চাদেরই পরিষ্কার করতে বাধ্য করা হয়। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।

বিষয়টি ব্লক এডুকেশন অফিসার রাজেশ দ্বিবেদী জানতে পেরেই শোকজ নোটিস পাঠিয়েছেন ওই প্রধান শিক্ষককে। তাঁকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

Follow Us