Arvind Kejriwal: আদালত ফেরাতেই অরবিন্দ কেজরীবালের বাড়িতে ইডি-র হানা, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই গ্রেফতার?
Enforcement Directorate: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবালের বাড়িতে হানা দিয়েছেন ইডি-র গোয়েন্দারা। রীতিমতো তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি-র গোয়েন্দারা। আবগারি দুর্নীতি মামলাতেই কেজরীবালের বাড়িতে হানা দিয়েছেন ইডি গোয়েন্দারা। দিল্লি হাই কোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সক্রিয় ইডি।
নয়া দিল্লি: বেশ কয়েকবার ইডি-র সমন এড়িয়েছেন। এবার সরাসরি বাড়িতে হাজির হল ইডি-র দল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরীবালের বাড়িতে হানা দিয়েছেন ইডি-র গোয়েন্দারা। আবগারি দুর্নীতি মামলাতেই কেজরীবালের বাড়িতে হানা দিয়েছেন ইডি গোয়েন্দারা। বলা যায়, দিল্লি হাই কোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি। এছাড়া অর্থ তছরুপের মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে ৯ বার অরবিন্দ কেজরীবালকে তরব করেছিল ইডি। কিন্তু, প্রতিবারই সমন এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তারপর এদিন সকালেই আবগারি দুর্নীতির তদন্তে ইডি অভিযানের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্ট No Coercive Action- এর আবেদন জানান অরবিন্দ কেজরীবাল। কিন্তু, সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। তারপরই যেন সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি। এদিন সন্ধ্যায় একেবারে সার্চ ওয়ারেন্ট হাতে নিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়িতে পৌঁছেছে ইডি-র ৮-১০ আধিকারিক। তল্লাশি শুরু করেন তাঁরা। উত্তর দিল্লির ডিসিপি-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে মোতায়েন হয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে এভাবে দিল্লির মু্খ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমোর বাড়িতে এভাবে ইডি-র অভিযানে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
সূত্রের খবর, এদিন রাতেই সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের লিগ্যাল টিম। এদিকে কেজরীবালের মন্ত্রিসভার সদস্য সৌরভ ভরদ্বাজ মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাঁকে আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। কেজরীবালের বাসভবনের দিকে রওনা দিয়েছেন আপ নেত্রী অতিশী-ও।
প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় প্রথমেই নাম জড়ায় কেজরীর প্রাক্তন ডেপুটি ও দিল্লির প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার। ইডি ও সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতারও হন তিনি। সম্প্রতি ভারত রাষ্ট্র সমিতি (বিআরএস)-র নেত্রী কে কবিতার নামও এই মামলায় জড়ায় এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও তিনি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ইতিমধ্যে গ্রেফতারির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলেও দাবি জানিয়েছেন কেজরীবাল।
