ED vs Police: বাংলার জল গড়াল রাঁচিতেও! অভিযুক্তকে মারধরের ঘটনায় যুযুধান ইডি-পুলিশ

ED vs Police in Ranchi: সন্তোষ কুমার ঝাড়খণ্ড সরকারের নিকাশি এবং পানীয় জলের দফতরে কাজ করতেন। সে রাজ্যের জল সরবরাহ দুর্নীতির একটি মামলায় সম্প্রতিকে সন্তোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল ইডি। তারপর প্রায় গোটা দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেন ইডি আধিকারিকরা। এরপর তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ তোলেন সন্তোষ।

ED vs Police: বাংলার জল গড়াল রাঁচিতেও! অভিযুক্তকে মারধরের ঘটনায় যুযুধান ইডি-পুলিশ
রাঁচির ইডি অফিস Image Credit source: সংগৃহিত (X)

|

Jan 15, 2026 | 7:35 PM

রাঁচি: বাংলার জল গড়াল রাঁচিতে। যখন সুপ্রিম কোর্টে আইপ্য়াক অফিসে ইডি অভিযান এবং তার পরবর্তী ঘটনাক্রম চলছে শুনানি। সেই আবহেই আবার সংঘাতের ছবি। এবারও মুখোমুখি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ও পুলিশ। রাঁচি পুলিশের সঙ্গে সংঘাত উঠল চরমে।

বৃহস্পতিবার ইডির দফতরে বিশাল বাহিনী নিয়ে তল্লাশি অভিযান চালায় রাঁচি পুলিশ। মূলত ঝাড়খণ্ডের রাজ্য সরকারের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে ছিল অভিযান। জানা গিয়েছে, ওই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীর নাম সন্তোষ কুমার। গত ১২ জানুয়ারি রাঁচির এয়ারপোর্ট থানায় গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তিনি। তারপরই সেই মামলার তদন্তে ইডি অফিসে তল্লাশি চালায় রাঁচি পুলিশ।

সন্তোষ কুমার ঝাড়খণ্ড সরকারের নিকাশি এবং পানীয় জলের দফতরে কাজ করতেন। সে রাজ্যের জল সরবরাহ দুর্নীতির একটি মামলায় সম্প্রতিকে সন্তোষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল ইডি। তারপর প্রায় গোটা দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে ছেড়ে দেন ইডি আধিকারিকরা। এরপর তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ তোলেন সন্তোষ।

অভিযোগপত্রে তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইডির দুই আধিকারিক তাঁকে মারধর করেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে জোর করে অপরাধ স্বীকার করানোর চেষ্টা চলে বলেই জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও, তাঁর পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ সন্তোষের। এরপরই বৃহস্পতিবার এয়ারপোর্ট থানার ডেপুটি সুপারিন্টেনডেন্টের নেতৃত্বে রাঁচি পুলিশের একটি বিশেষ দল পৌঁছে যায় স্থানীয় ইডি অফিসে। নাম প্রকাশ্য়ে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ইডি দফতরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনার পর ইডি দফতরের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশের এই অভিযানের নেপথ্যে রাজনীতি দেখছে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, পুলিশকে দিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন দুর্নীতির নথি নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা হল না তো?