AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

‘সঙ্গম ছাড়া বীর্যপাত ধর্ষণ নয়’, ২০ বছর পুরনো মামলায় রায় বদল হাইকোর্টের

Physical Assault: ২০০৪ সালে জোর করে যৌন সঙ্গমের অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২০০৫ সালে ট্রায়াল কোর্ট ওই ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তকে সাত বছরের জেলের সাজা দিয়েছিল। তবে জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছিল যে সে নির্যাতিতার গোপনাঙ্গের উপরে পুরুষাঙ্গ রাখলেও, তা প্রবেশ করায়নি।  

'সঙ্গম ছাড়া বীর্যপাত ধর্ষণ নয়', ২০ বছর পুরনো মামলায় রায় বদল হাইকোর্টের
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: Pixabay
| Updated on: Feb 18, 2026 | 6:38 PM
Share

রায়পুর: সঙ্গম ছাড়া বীর্যপাত হওয়া ধর্ষণ নয়, তা ধর্ষণের চেষ্টা বলে গণ্য করা হবে। দুই দশক আগের এক রায় পরিবর্তন করে এই মন্তব্য করল ছত্তীসগঢ় হাইকোর্ট (Chhattisgarh High Court)।

২০০৪ সালে জোর করে যৌন সঙ্গমের অভিযোগ দায়ের করা হয়। ২০০৫ সালে ট্রায়াল কোর্ট ওই ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তকে সাত বছরের জেলের সাজা দিয়েছিল। তবে জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছিল যে সে নির্যাতিতার গোপনাঙ্গের উপরে পুরুষাঙ্গ রাখলেও, তা প্রবেশ করায়নি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ছত্তীসগঢ় হাইকোর্টের বিচারপতি নরেন্দ্র কুমার ব্যাসের বেঞ্চ বলে, “ধর্ষণের অপরাধে অপরিহার্য শর্ত হল সঙ্গম, বীর্যপাত নয়। সঙ্গম ছাড়া বীর্যপাত হলে তা ধর্ষণের চেষ্টা, ধর্ষণ নয়।”

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয় যে সামান্যতম সঙ্গম অর্থাৎ যোনীতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করলেও তা ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারায় ধর্ষণ বলে গণ্য হয়। তবে এক্ষেত্রে স্পষ্ট প্রমাণ থাকতে হয় যে পুরুষাঙ্গ নির্যাতিতার যোনীতে প্রবেশ করেছে। এই মামলায় মেডিক্যাল রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে নির্যাতিতার যোনীচ্ছদ অক্ষত রয়েছে। নির্যাতিতার যৌনাঙ্গে সাদা ডিসচার্জ ও লাল ভাব থাকলেও, ধর্ষণ যে হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। আংশিক পেনিট্রেশন বা পুরুষাঙ্গ কিছুটা প্রবেশ করেছিল- এটার সম্ভবনা রয়েছে।

নির্যাতিতার বয়ানেও বেশ কিছু অসঙ্গতি ছিল বলে জানিয়েছে আদালত। প্রথমে নির্যাতিতা বলেছিল যে জোর করে যৌন সঙ্গম করেছে অভিযুক্ত, পরে বয়ান বদল করে বলে যে তাঁর যৌনাঙ্গের উপরে পুরুষাঙ্গ রেখেছিল অভিযুক্ত।

আসলে ধর্ষণ হয়নি- এই পর্যবেক্ষণ রেখে হাইকোর্ট রায়  সংশোধন করে এবং সাজা কমিয়ে তিন বছর ছয় মাস ধার্য করে।