Exit Poll-এর নিয়ম ভাঙলে হতে পারে জেল, কীভাবে সমীক্ষা হয় জানেন
Loksabha Election: এবার লোকসভা নির্বাচনের ভোটপ্রক্রিয়া চলছে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত। অর্থাৎ শেষ দফার ভোটের দিন, ১ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার আগে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করা যাবে না।

নয়া দিল্লি: আগামী ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ। আগামী ৫ বছর দিল্লির মসনদে কে বসবেন? তা নির্ধারিত হয়ে যাবে ৪ তারিখেই। তবে কারা ক্ষমতায় আসবে, তার আঁচ পাওয়া যায় ফল প্রকাশের আগেই। শেষ দফা ভোটের পর সামনে আসে এক্সিট পোল বা বুথ ফেরত সমীক্ষা। ব্যালট বাক্স নয়, সমীক্ষা থেকে ফলাফলের একটি ছবি সামনে আসে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচার করা হয় সেই বুথ ফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট। কী এই বুথ ফেরত সমীক্ষা, এই সমীক্ষার নিয়মই বা কী?
কবে প্রথম এক্সিট পোল করা হয়েছিল?
১৯৫৭ সালে, দেশে যখন দ্বিতীয়বার লোকসভা নির্বাচন হয়, তারপরই প্রথম বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছিল ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব পাবলিক ওপিনিয়ন।’ এরপর ১৯৯৬ সালে ‘দূরদর্শন’ প্রথমবার প্রকাশ করে এক্সিট পোল। সিএসডিএস (CSDS) be ‘সেন্টার ফর স্টাডি অ্যান্ড ডেভেলপিং সোসাইটিস’ নামে এক সংস্থাকে এই দায়িত্ব দিয়েছিল ‘দূরদর্শন’। পরে একাধিক সংস্থা তৈরি হয়, যারা এই সমীক্ষা করে। সাধারণ পৃথক পৃথক সংবাদমাধ্যমে তাদের সমীক্ষার রিপোর্টগুলি প্রকাশ করা হয়।
তবে ১৯৫৮ সালের থেকে বুথ ফেরত সমীক্ষার চেহারা পাল্টেছে অনেকটাই। বিশেষত স্যাম্পল অর্থাৎ কতজনকে নিয়ে সমীক্ষা করা হবে, সেই হিসেব বদলে গিয়েছে অনেকটাই। সিএসডিএস-এর কর্ণধার সঞ্জয় কুমার এক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, আগে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার জনের ওপরেই এই সমীক্ষা চালানো হত।
কখন প্রকাশ হয় বুথ ফেরত সমীক্ষা?
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ হল, ভোট প্রক্রিয়া চলাকালীন এক্সিট পোল প্রকাশ করা যায় না। তবে শেষ দফায়, শেষ ভোটটা পড়ার ৩০ মিনিট পর থেকে সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করা যায়। এবার লোকসভা নির্বাচনের ভোটপ্রক্রিয়া চলছে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত। অর্থাৎ শেষ দফার ভোটের দিন, ১ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার আগে ওই রিপোর্ট প্রকাশ করা যাবে না।
এক্সিট পোলের নিয়মটা কী?
পিপলস অ্যাক্ট, ১৯৫১-র ১২৬এ সেকশন মেনে সমীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হয়। আইনের ওই ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন যে সময়সীমা ধার্য করে দেবে, তার বাইরে অন্য সময়ে কেউ কোনও সমীক্ষা টিভি চ্যানেলে বা সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে পারবে না। এই নিয়ম ভাঙলে ২ বছরের জেল অথবা জরিমানা অথবা জেল-জরিমানা দুটোই হতে পারে।
কীভাবে হয় সমীক্ষা?
সাধারণত বুথের বাইরে ভোটারদের প্রশ্ন করেই সমীক্ষা করা হয়। ভোট দেওয়ার ঠিক পরই প্রশ্ন করলে, সবথেকে সঠিক উত্তর পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়। কোনও সরকারি প্রতিষ্ঠান এই সমীক্ষা করতে পারে না। বেসরকারি সংস্থাগুলিই সমীক্ষা চালায়। ভোটারদের জন্য বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি করে ওই সংস্থা।
