
প্রয়াগরাজ: মহাকুম্ভে ঘটে গেল মহাবিপত্তি। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল মেলা চত্বর। লেলিহান আগুনের জেরে রোষালনে পুড়ে গেল একের পর এক ক্যাম্প। ধোঁয়ায় ঢেকে গেল মেলা চত্বর। কিন্তু কীভাবে লাগল আগুন?
প্রাথমিক অনুমান, রান্নার গ্যাস থেকে ঘটে এই অগ্নিকাণ্ড। ঘটনায় একেবার জ্বলে গিয়েছে ২০ থেকে ২৫টি তাঁবু। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ছুটে গিয়েছে দমকলও।
এদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পৌঁছে যায় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। আগুনের ভয়াবহতা দেখে কার্যত চোখ কপালে ওঠে তাদের। ১৪৪ বছর এসেছে মহাকুম্ভ। আর তারই সপ্তম দিনে ঘটে গেল ভয়াবহ কাণ্ড। অবশ্য, এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলেই জানা গিয়েছে।
মেলার ১৯ নম্বর সেক্টরের শাস্ত্রীয় ব্রীজের তলার একটি তাঁবু থেকেই আগুন ছড়ায় বলে খবর। রান্নার কাজ করার সময় কোনও ভাবে আগুন লেগে যায় তাঁবুতে। আর তারপরই বিস্ফোরণ। সেই তাঁবু লাগোয়া একের পর তাঁবুতে আগুন ধরে যায়। যার জেরে ভয়াবহ উত্তেজনা তৈরি এলাকাজুড়ে। ফাটতে শুরু করে পরপর তাঁবুতে থাকা রান্নার গ্যাসগুলি। লেলিহান আগুনের প্রকোপে পুড়েখাক হয়ে যায় গীতা প্রেসের ক্য়াম্পটিও।
ঘটনায় ইতিমধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে চলেছে দমকল কর্মীরা। গত ১৩ জানুয়ারি গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর মহাসঙ্গমের তীরে বসেছে মহাকুম্ভের মেলা। ১২টি পূর্ণকুম্ভ পেরিয়ে ১৪৪ বছর পর এসেছে মহাকুম্ভ। কিন্তু, সেই পুণ্য মেলার সপ্তম দিনেই আকাশ ঢাকল কালো মেঘ। ধূসর হল চারপাশ। দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল মহাকুম্ভ। ইতিমধ্যে, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, কেউ আহত হয়েছেন কি না সেই বিষয়টি নিজে এসে পরিদর্শন করে যান উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। পাশাপাশি, ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে ফোন করে মহাকুম্ভের পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেন তিনি।