AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Ram Temple Fund: চম্পত রাইয়ের অভিযোগেই একের পর এক গ্রেফতার, রাম-মন্দিরের অনুদান চুরিতে ক্লিনচিট পেলেন প্রাক্তন ট্রাস্ট প্রধান

New Delhi: সম্প্রতি, অযোধ্যার রাম-মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রণামী ও অনুদান চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিরোধীরা এই নিয়ে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতিও দাবি করেছিল। লাগাতার বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে লোকসভা ও রাজ্যসভা স্তব্ধও হয়ে যায় একাধিকবার।

Ram Temple Fund: চম্পত রাইয়ের অভিযোগেই একের পর এক গ্রেফতার, রাম-মন্দিরের অনুদান চুরিতে ক্লিনচিট পেলেন প্রাক্তন ট্রাস্ট প্রধান
চম্পট রাই Image Credit: PTI
| Updated on: Aug 18, 2026 | 12:02 PM
Share

নয়া দিল্লি: রাম-মন্দিরের প্রণামী বাক্সে চুরি বিতর্কের আবহে এবার বড় খবর। ট্রাস্টের প্রাক্তন প্রধান চম্পত রাইকে ক্লিনচিট দিল বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। এই সঙ্গে নির্দোষ বলা হয়েছে ট্রাস্টের সদস্য অনিল মিশ্রকে। বস্তুত, রাম-মন্দিরের প্রণামী চুরির বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর চম্পত এবং অনিল মিশ্র উভয়ই ইস্তফা দিয়েছিলেন। জানা যাচ্ছে, গতকাল অর্থাৎ সোমবার উত্তরপ্রদেশের স্বরাষ্ট্র দফতর SIR-এর তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট ট্রাস্টের হাতে তুলে দিয়েছে। সেখানেই এই দুজনকে নির্দোষ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি, অযোধ্যার রাম-মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া প্রণামী ও অনুদান চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিরোধীরা এই নিয়ে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতিও দাবি করেছিল। লাগাতার বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে লোকসভা ও রাজ্যসভা স্তব্ধও হয়ে যায় একাধিকবার।এরপর চুরির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই গত ২৭ জুন ট্রাস্টের পদ থেকে ইস্তফা দেন চম্পত রাই ও অনিল মিশ্র। ঘটনার তদন্ত শুরু করে SIT। উত্তর প্রদেশ সরকার লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্থের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠিত হয়। আধিকারিকরা অনুদান সংগ্রহ ও হিসাব কীভাবে রাখা হত, সেই প্রক্রিয়া নিয়ে বিশদ জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

SIT সূত্রে খবর, তদন্তে চম্পত রাই সহযোগিতা করেন। এমনকী এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলেও তদন্তকারী আধিকারিকদের তিনি জানিয়েছিলেন। এও বলেছেন, ঘটনাটি জানতে পারার সঙ্গে-সঙ্গে তিনিই তৎপর হয়ে ওঠেন এবং তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।

SIT-এর প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ মোট আটজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নাম অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র,লবকুশ মিশ্র,মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রমাশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব ও রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় মামলা রুজু হয়েছে। সিট রিপোর্টে জানিয়েছে এর সঙ্গে প্রাক্তন কর্তাদের কোনও যোগ নেই।

Follow Us