
নয়াদিল্লি: স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার বদলাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর। সাউথ ব্লক ছেড়ে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পে তৈরি নতুন প্রশাসনিক ভবন এগজিকিউটিভ এনক্লেভ-১-এর ‘সেবাতীর্থ-১’-এ উঠে এল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নয়া দফতর। শুক্রবার এই দফতরের উদ্বোধন করলেন তিনি। তারপর শুরু হল মোদীর আরও এক ‘নতুন জমানা’।
দেশের নারী, যুব, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইলে স্বাক্ষর করলেন তিনি। ‘সেবাতীর্থ’ ভবনে বসে মানুষের সেবায় আবার হাত বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী। কোন কোন প্রকল্পে স্বাক্ষর করলেন মোদী?
দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষায় এই নয়া প্রকল্পের সূচনা করলেন তিনি। যার আওতায় সড়ক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হওয়া ব্যক্তিরা চিকিৎসার জন্য ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নগদহীন বা ক্য়াশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। মূলত, দুর্ঘটনার পরের যে ‘গোল্ডেন টাইম’ অর্থাৎ যে সময় চিকিৎসা মিললে যে কাউকে বাঁচানো সম্ভব। সেই গোল্ডেন টাইমে কোনও ব্য়ক্তি যেন চিকিৎসা থেকে বিরত না থাকেন, তা নিশ্চিত করতেই এই প্রকল্প।
ইতিমধ্যে ৩ কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির মাইলফলক স্পর্শ করেছে কেন্দ্র। ২০২৭ সাল পর্যন্ত ছিল ডেডলাইন। কিন্তু সময়ের আগেই সেই লক্ষ্য়মাত্রা ছুয়ে ফেলেছে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প। শুক্রবার ‘সেবাতীর্থ’ উদ্বোধনের মাধ্যমে এই নয়া প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা দ্বিগুণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০২৯ সালের মধ্যে টার্গেট ৬ কোটি মহিলাকে লাখপতি দিদি প্রকল্পের আওতায় আনা।
কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও ফসল নষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা রুখতে ‘সেবাতীর্থ’ থেকেই বিরাট প্রকল্পের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড (AIF)-এর বরাদ্দ ১ লক্ষ কোটি থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ কোটি টাকা করলেন মোদী।
স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে মোদীর হাত ধরেই ‘সূর্যোদয়’। ‘সেবাতীর্থে’ দায়িত্ব গ্রহণ করে ১০ হাজার কোটি টাকার স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২.০ প্রকল্পের সূচনা করলেন মোদী।