
নয়াদিল্লি: জাতীয় গান নিয়ে আলোচনার মাধ্য়মেই শুরু হতে পারে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। সম্প্রতি দেড়শো বছর পূর্তি হয়েছে ‘বন্দে মাতরম’-এর। এই সময়কে স্মরণীয় রাখতে গোটা দেশজুড়ে উদযাপনের বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তেমনটা হয়েছেও। ৭ই নভেম্বর রাজ্য়ের একাধিক জায়গায় মিছিল বের করেছিল বঙ্গ বিজেপি। তবে এই টুকুর মধ্যে সীমিত থাকেনি গোটা বিষয়টা। জাতীয় গান নয়, ‘বন্দে মাতরম’কে জাতীয় সঙ্গীত করার দাবিতে সরব হয়েছিলেন বহু বিজেপি নেতাই। আগামী পয়লা ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। চলবে ১৯ তারিখ পর্যন্ত। আর সেই অধিবেশনের শুরুতেই ‘বন্দে মাতরম’ বিতর্ককে পরোক্ষভাবে জিইয়ে চায় কেন্দ্র।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্য়ম ‘দ্য় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে নাম প্রকাশ্য়ে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘শীতকালীন অধিবেশনের শুরুর দিনেই বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনা চায় কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার সর্বদলীয় বৈঠক রয়েছে। সেখানেও এই বিষয়টি তোলা হবে।’
সম্প্রতি জাতীয় গান বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষেও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ এনেছিলেন নরেন্দ্র মোদী। বন্দেমাতরমের স্মারক স্ট্য়াম্প এবং কয়েন প্রকাশের পর দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন স্তবক বাদের প্রসঙ্গ। তিনি বলেছিলেন, ‘বন্দে মাতরম গানকে খণ্ডে খণ্ডে ভেঙে ফেলা হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ স্তবক বাদ দেওয়া হয়েছিল।’ যদিও এই অভিযোগকে নস্যাৎ করেছে কংগ্রেস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরামর্শ হয়েছিল বলেই দাবি তাঁদের।
এবার সেই বিতর্ক উঠতে পারে আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে। যদিও বিরোধী শিবিরের সুর একেবারে অন্য। গোটা দেশজুড়ে এখন ‘হট-টপিক’ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর। এর আগে বাদল অধিবেশনে এসআইআর ইস্যুতে বারংবার আলোচনার দাবি জানিয়েছিল বিরোধী শিবির। কিন্তু তারপরেও সেই আলোচনা হয়নি। শীতকালীন অধিবেশন বিরোধী আবারও একটা সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে বলেই মত একাংশের।