Tejas Aircraft Damaged : ব্রেক ফেল করে রানওয়েতে ছিটকে পড়ল তেজস, কেন বারবার দুর্ঘটনার কবলে যুদ্ধবিমান ?
Tejas Aircraft Damaged : সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, চলতি মাসের শুরুর দিকেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, প্রশিক্ষণ সেরে সেনাঘাঁটিতে ফেরার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। অবতরণের সময় ব্রেক কোনওভাবে কাজ করছিল না বলে খবর। ব্রেক ফেল করার কারণেই রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। মাটিতে ছিটকে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুমড়ে-মুচড়ে যায় বিমানের কাঠামো। ঘটনার পর থেকেই বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে তৎপর বায়ুসেনা ।

নয়া দিল্লি : ফের দুর্ঘটনার কবলে তেজস। জানা গিয়েছে,অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিমানটি। মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। বিমানটি যে পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাতে আরও একটা তেজস হারাল ভারতীয় বায়ুসেনা। তবে, ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। বিপদ বুঝে আগেই বিমান থেকে বেরিয়ে আসেন পাইলট। এই নিয়ে গত দুই বছরে তিনটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ল।
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, চলতি মাসের শুরুর দিকেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, প্রশিক্ষণ সেরে সেনাঘাঁটিতে ফেরার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে। অবতরণের সময় ব্রেক কোনওভাবে কাজ করছিল না বলে খবর। ব্রেক ফেল করার কারণেই রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। মাটিতে ছিটকে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দুমড়ে-মুচড়ে যায় বিমানের কাঠামো। ঘটনার পর থেকেই বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে তৎপর বায়ুসেনা ।
কেন বারবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যুদ্ধবিমান ? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর প্রায় ৩০টি এক আসন বিশিষ্ট যুদ্ধবিমান বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিমানগুলির যান্ত্রিক ত্রুটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভাল করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর যদি সবুজ সংকেত পাওয়া যায়, তবেই যুদ্ধবিমানগুলি ব্যবহার করা হবে। উল্লেখ্য, এই নিয়ে তৃতীয়বার তেজস দুর্ঘটনার মুখে পড়েছে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে রাজস্থানের জয়সেলমেরে ভেঙে পড়েছিল যুদ্ধবিমানটি। দ্বিতীয়বার দুবাইয়ে এয়ার শো চলাকালীন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তেজস। ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল পাইলটের।
৫ বছর আগে হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড-কে ৮৩টি তেজস যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকায় ২০২১ সালে চুক্তিটি হয়। পরে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ৬২,৩৭০ কোটি টাকায় আরও ৯৭টি যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত দেওয়া হয়। কিন্তু, জানা গিয়েছে সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেনি ওই সংস্থা।
