
মুম্বই: অসহিষ্ণুতায় ঢেকেছে বাংলাদেশ। হাসিনা পরবর্তী সময়কালে দেখা গিয়েছে শুধুই বর্বরতার ছবি। যার আঁচ পড়েছে এই দেশেও। বাংলাদেশে বাড়ন্ত হিন্দু-নিধন আন্তর্জাতিক স্তরে তৈরি করেছে উদ্বেগ। এবার সেই নৈরাজ্যের বাংলাদেশ নিয়ে পুনরায় মুখ খুললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবত।
রবিবার মুম্বইয়ে আয়োজিত আরএসএস-এর শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠান থেকে বড় হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। সঙ্ঘ পরিবারের প্রধান বলেন, “বাংলাদেশের এক কোটি ২৫ লক্ষ জনগণ হিন্দু। তাঁরা যদি মনে করেন, তাঁদের উপর চলা বর্বরতার বিরুদ্ধে লড়াই চালাবেন, তা হলে এই গোটা বিশ্বের হিন্দু নাগরিকরা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন।”
বাংলাদেশ নিয়ে সরসঙ্ঘচালকের এমন মন্তব্য প্রথম নয়। বরাবর বাংলাদেশে চলা হিন্দু-নিধন এবং অনুপ্রবেশের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন তিনি। গতবছর সঙ্ঘ পরিবারের একটি অনুষ্ঠানে মোহন ভগবত বলেন, “দেশের সম্পদ ও কর্মসংস্থান কেবল বৈধ নাগরিকদের জন্য বরাদ্দ হওয়া উচিত। অনুপ্রবেশকারীদের জন্য নয়।” রবিবার মুম্বইয়ের শতবর্ষ অনুষ্ঠান থেকেও সেই একই প্রসঙ্গ শোনা যায় তাঁর মুখে। সঙ্ঘ প্রধান বলেন, “পূর্বতন সরকার দেশের জনসংখ্য়া, বাড়ন্ত অনুপ্রবেশ নিয়ে মাথায় ঘামায়নি। সেই কারণেই ডেমোগ্রাফি এতটা বদলে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার প্রতিটি বিষয় নিয়েই তৎপর। তাঁরা কাজ করছে।”
কিন্তু সঙ্ঘ পরিবার কি মুসলিম-বিরোধী? এই নিয়ে নভেম্বর মাসে আয়োজিত একটি সভায় প্রশ্ন করা হয়েছিল তাঁকে। মোহন ভগবত বলেছিলেন, “সঙ্ঘে শুধু হিন্দুদের প্রবেশের অনুমতি রয়েছে। যাঁরা অন্য কোনও ধর্ম, জাত বা বর্ণের মানুষ। যেমন মুসলিম, খ্রিস্টান, তাঁরা নিজেদের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাবকে সরিয়ে রেখে সঙ্ঘে আসতে পারেন।”