AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Gyanesh Kumar : জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সংসদে নোটিস বিরোধীদের, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ কি সম্ভব?

Gyanesh Kumar : তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগেই নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অপসারণের প্রস্তাব আনা হয়েছে। সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ। অর্থাৎ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা।

Gyanesh Kumar : জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সংসদে নোটিস বিরোধীদের, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ কি সম্ভব?
জ্ঞানেশ কুমার
| Edited By: | Updated on: Mar 13, 2026 | 2:28 PM
Share

নয়াদিল্লি : সংসদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পেশ করলেন ইন্ডিয়া জোটের বিরোধীরা। জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে আজই লোকসভা এবং রাজ্যসভায় নোটিস জমা দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবে মোট ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন। তাঁদের মধ্যে লোকসভার সাংসদ রয়েছেন ১৩০ জন। রাজ্যসভার সাংসদ রয়েছেন ৬৩ জন। সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে অপসারণের প্রস্তাবের নোটিস জমা দেওয়া হয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগেই নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের প্রস্তাব আনা হয়েছে। সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ। অর্থাৎ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। এছাড়া, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। বিপুল সংখ্যার ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করারও অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে।

বিরোধীদের পেশ করা নোটিস অনুযায়ী, জ্ঞানেশ কুমারকে কি সরানো সম্ভব ? ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে যে কারণে ও যে প্রক্রিয়ায় সরানো যায়, সেই একই প্রক্রিয়ায় কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে হয়। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট বা রাষ্ট্রপতির অর্ডার ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে সরানো যায় না। এছাড়া, বিচারপতিকে সরাতে হলে সংসদের দুই কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে ভোটাভুটি করতে হবে। তার ফলাফল রাষ্ট্রপতির হাতে তুলে দিতে হবে। তারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বারবার সুর চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন সভা থেকে তাঁকে ভ্যানিশ কুমার বলে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। দিন কয়েক আগেই নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনার কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নজিরবিহীন বলে মত রাজনৈতিক মহলের। আসলে আগে কোনও দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়নি। কয়েকদিন ধরেই তৃণমূলের তরফে ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া হয়েছিল। একদিন আগেই জানা গিয়েছিল, সব বিরোধীদের এক ছাতার তলায় এনে সই সংগ্রহের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। শুক্রবারই সংসদে নোটিস দিতে পারেন বিরোধীরা। আজ সেই মতো নোটিস জমা দেওয়া হয়েছে।

Follow Us