Govt Invokes ESMA For LPG Supply: LPG-র হাহাকার সামাল দিতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের! দেশজুড়ে কার্যকর হল ‘জরুরি’ আইন

India Invokes ESMA: গতকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে আবার দেশের বড় বড় শহরে বন্ধ হয়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ। ফলত, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়ার পথে বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের একাধিক হোটেল-রেস্তরাঁ। বাণিজ্য শহরে মুম্বইয়ে গ্যাস সংকটের জেরে সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ২০ শতাংশ হোটেল-রেস্তরাঁ। দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে হাহাকার।

Govt Invokes ESMA For LPG Supply: LPG-র হাহাকার সামাল দিতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের! দেশজুড়ে কার্যকর হল জরুরি আইন
প্রতীকী ছবিImage Credit source: Getty Image

|

Mar 10, 2026 | 12:30 PM

নয়াদিল্লি: এ যেন জরুরি অবস্থার থেকে কিছু কম নয়। পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের জেরে ব্যাহত হয়েছে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ। ইতিমধ্যেই দেশের বড় বড় শহরে বন্ধের পথে একাধিক হোটেল-রেস্তরাঁ। দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসের। একাধিক জায়গায় মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার। পেট্রোল পাম্পে লম্বা লাইন। গ্যাসে রান্না ছেড়ে ইনডাকশন ওভেন কিনতে পড়েছে ভিড়। সব মিলিয়ে দেশজুড়ে অশনি সংকেত। এই আবহে ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার।

সংবাদসংস্থা এএনআই-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশজুড়ে জ্বালানি, এলপিজি গ্যাসের জোগান বজায় রাখতেই এই আইন জারি করল নয়াদিল্লি। যার ফলে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এলপিজি সরবরাহকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু সেই বিশেষ ক্ষেত্রগুলি কী কী? সংবাদসংস্থা জানাচ্ছে, দেশের প্রতিটি গৃহস্থে পাইপলাইন ও সিলিন্ডার মাধ্যমে পাঠানো প্রাকৃতিক গ্যাস, পরিবহনের জন্য, এছাড়াও অন্যান্য জরুরি কাজে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বর্তমানে ভারতে ৩২ কোটিরও বেশি সক্রিয় এলিপিজি ও প্রাকৃতিক গ্যাস ব্য়বহারকারী রয়েছেন। ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের জেরে সেই আমজনতাকে যাতে কোনও ভাবেই খেসারত না দিতে হয়, তা মাথায় রেখেই জরুরি আইন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নয়াদিল্লির। তবে একটা আইন কার্যকর করেই যে কেন্দ্র ক্ষান্ত হয়েছে এমনটা নয়। তৃণমূল স্তরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট সামাল দিতে একটি কমিটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। দেশজুড়ে এলপিজি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে কিনা সেই বিষয়েই নজরদারি চালাবে সংশ্লিষ্ট কমিটি।

কিন্তু পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের ১১ তম দিনেই কেন তৎপরতা বাড়াল কেন্দ্র? ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের চতুর্থ দিনে হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। এই প্রণালীর উপরেই বিশ্বের অপরিশোধিত তেলের আমদানি-রফতানি নির্ভর করে থাকে। তবে প্রণালী বন্ধ হলেও কেন্দ্র সাফ জানিয়েছিল, ভারতের কাছে যথেষ্ট তেল মজুত রয়েছে। এদিকে তৃণমূল স্তরে পরিস্থিতি প্রথম থেকেই উল্টো। যুদ্ধের জেরে ছড়িয়েছে আতঙ্ক। গতকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে আবার দেশের বড় বড় শহরে বন্ধ হয়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ। ফলত, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়ার পথে বেঙ্গালুরু, চেন্নাইয়ের একাধিক হোটেল-রেস্তরাঁ। বাণিজ্য শহরে মুম্বইয়ে গ্যাস সংকটের জেরে সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ২০ শতাংশ হোটেল-রেস্তরাঁ। দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে হাহাকার। যা সামাল দিতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্র। কার্যকর করেছে জরুরি আইন।

Follow Us