India Slams Pakistan: ‘সন্ত্রাসবাদ চালালে ফল ভুগতেই হবে’, ‘মিথ্যাবাদী’ পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত
India Pakistan UN: ভারতের প্রতিনিধি বলেন, "গত বছরই আমরা দেখিয়েছি যে জঙ্গিদের পালানো বা লুকিয়ে থাকার কোনও জায়গা নেই। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতা আমরা প্রয়োগ করবই। যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ চালায়, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।"

নিউ ইয়র্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ধুয়ে দিল ভারত। শুক্রবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় (UN General Assembly) বক্তব্য রাখেন শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। সিন্ধুর জল নিয়ে দাবি করে তিনি বলেছিলেন, “পাকিস্তানের সিন্ধুর ভাগের জল আটকানোর যে কোনও প্রচেষ্টাকে অ্যাক্ট অব ওয়ার হিসাবে গণ্য করা হবে”। এর পাল্টা জবাবেই ভারত সন্ত্রাসবাদের ইস্যু তুলে পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দেয়। তাদের মিথ্য়াচার নিয়েও সমালোচনা করে।
রাষ্ট্রপুঞ্জে পাক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাখার পরই ভারত জবাব দেওয়ার ক্ষমতা প্রয়োগ করে রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের সেক্রেটারি পেটাল গেহলট বলেন যে পাকিস্তানের বক্তব্য অদ্ভুত। রাষ্ট্রপুঞ্জকে এ কথাও মনে করিয়ে দেন যে ৯/১১ হামলার প্রধান চক্রী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানেই থাকতেন। পেটাল গেহলট বলেন, “আমেরিকা ৯১১ হামলার বর্ষপূর্তি পালন করছে। এই হামলার মাস্টারমাইন্ড পাকিস্তান সেনার অ্যাকাডেমির দোরগোড়াতেই থাকছিলেন।”
কী বলেছেন শেহবাজ শরিফ?
শুক্রবার রাষ্ট্রপুঞ্জে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে উঠে প্রথমেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান ২০২৫ সালে ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে সঠিক সময়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য। কাশ্মীর ইস্যুও তুলে ধরেন। সিন্ধুর জলে ফের একবার দাবি জানিয়ে বলেন, “পাকিস্তানের সিন্ধুর ভাগের জল আটকানোর যে কোনও প্রচেষ্টাকে অ্যাক্ট অব ওয়ার হিসাবে গণ্য করা হবে”।
ভারতের কড়া জবাব-
সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দিয়ে বলে, “ওরা দিনে নিরাপত্তা বজায় রাখার কথা বলে আর রাতে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম চালায়।”
সন্ত্রাসবাদের ফল ভুগতে হবে, তা পাকিস্তানকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় ভারতের তরফে। ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “গত বছরই আমরা দেখিয়েছি যে জঙ্গিদের পালানো বা লুকিয়ে থাকার কোনও জায়গা নেই। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করার ক্ষমতা আমরা প্রয়োগ করবই। যদি পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ চালায়, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে।”
ভারত রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের কাছেও অনুরোধ জানায় যে পাকিস্তান ও তার নীতিগুলিকে তারা আসলে যেমন, তেমনভাবেই স্বীকৃতি দিতে—পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা যেভাবে মিথ্যা তুলে ধরছেন, সেভাবে নয়। ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “বছরের পর বছর মিথ্যা কথা বারবার বললেই তা সত্যি হয়ে যাবে না। পাকিস্তানের দ্বিচারিতা ও প্রতারণা পাকিস্তানেরও কোনও উপকার করবে না, বিশ্বেরও নয়”।
