India First Bullet Train: ৫৪০ কিলোমিটার যাবে দু’ঘণ্টারও কম সময়ে! দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন চালুর দিন জানিয়ে দিল কেন্দ্র
Bullet Train Launch Date: এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, 'মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের দূরত্ব মোট ৫৪০ কিলোমিটার। কিন্তু হাইস্পিড রেল করিডোর দিয়ে এই দুই শহরকে জুড়ে দেওয়া যাবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৫৮ মিনিটে। এই সময়কালে মোট ৪টি স্টপেজ রয়েছে। তবে কোনও ক্রমে যদি ১২টি স্টপেজেই ট্রেনটিকে দাঁড়াতে হয়, সেক্ষেত্রে সময় লাগবে ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিট।'

নয়াদিল্লি: ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন চলা নিয়ে কম বিড়ম্বনা তৈরি হয়নি। প্রতিবারই সম্ভাব্য দিনক্ষণ দিয়েও পিছিয়ে যেতে হয়েছে রেলমন্ত্রককে। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম দিনে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন পরিচালনার দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। মুম্বই-আহমেদাবাদ হাইস্পিড রেল করিডরে ঠিক কবে থেকে এই বুলেট ট্রেন ছুটবে তা জানিয়ে দিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব।
এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৭ সালের মধ্য়ে বুলেট ট্রেন তৈরি হয়ে যাবে। ১৫ অগস্ট থেকে তা চালুও হয়ে যাবে। প্রথমে সুরাট থেকে বিলিমোরা, তারপর ভাপী থেকে সুরাট। তারপর ভাপী থেকে আহমেদাবাদ। অবশেষে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ।’ ২০২৭ সালে বুলেট ট্রেন এবং হাইস্পিড রেল করিডরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাপী থেকে সুরাট পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার পথে এই ট্রেন ছুটবে বলেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। এর আগে এই পথেই প্রথমে ৫০ কিলোমিটার ট্রেন চালানো হবে বলে জানিয়েছিলেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। তবে সময়ের সঙ্গে বাড়িয়ে দেওয়া হল দূরত্ব।
এদিন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের দূরত্ব মোট ৫৪০ কিলোমিটার। কিন্তু হাইস্পিড রেল করিডোর দিয়ে এই দুই শহরকে জুড়ে দেওয়া যাবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৫৮ মিনিটে। এই সময়কালে মোট ৪টি স্টপেজ রয়েছে। তবে কোনও ক্রমে যদি ১২টি স্টপেজেই ট্রেনটিকে দাঁড়াতে হয়, সেক্ষেত্রে সময় লাগবে ২ ঘণ্টা ১৭ মিনিট।’
প্রসঙ্গত, ২০০৯-১০ অর্থবর্ষের রেল বাজেটে সর্বপ্রথম এই মুম্বই-আহমেদাবাদ রেল করিডোরের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু তার বাস্তবায়ন হতে সময় লেগে গিয়েছে অনেকটাই। এখনও নির্মাণ কাজ চলছে। যা আগামী বছরের মধ্য়েই শেষ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। গতবছর নভেম্বর মাসে সুরাটের নির্মীয়মান অংশ পরিদর্শনের জন্য গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় এই প্রজেক্ট ও তাতে কর্মরত প্রত্যেক স্তরের কর্মীদের প্রশংসা শোনা গিয়েছিল তাঁর মুখে।
