IPAC Case: ‘একজন মুখ্যমন্ত্রী জোর করে ঢুকে পড়লে গণতন্ত্রই প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়’, বড় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
Supreme Court: গত জানুয়ারিতে আইপ্যাকের অফিসে যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছিল, তখন সেই অফিসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজির হতে দেখা গিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

নয়া দিল্লি: ভোটের ঠিক একদিন আগে আইপ্যাক মামলায় বড় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। ‘মুখ্যমন্ত্রী এভাবে জোর করে ঢুকে পড়লে গণতন্ত্রই প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়’, এমনই পর্যবেক্ষণ বিচারপতি পি কে মিশ্রর। তল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ তুলে মামলা করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি-র সেই মামলার এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যের আইনজীবীরা। আজ, বুধবার শীর্ষ আদালতে ছিল সেই মামলার শুনানি।
ঠিক কী বললেন বিচারপতি?
এদিন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ইডি-র মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করে সওয়াল করেন আদালতে। সেই প্রসঙ্গেই এই পর্যবেক্ষণ বিচারপতি পি কে মিশ্রর। সওয়ালের সময় একাধিক মামলার রেফারেন্স উল্লেখ করেন মেনকা। সেগুলি শুনে বিচারপতি মিশ্র বলেন, “আপনি একাধিক মামলার রেফারেন্স টেনেছেন। কিন্তু এদেশে এমন একটা সময় আসবে, যখন একজন মুখ্যমন্ত্রী তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে ঢুকে পড়বেন, এমন প্রেক্ষাপট এই মামলাগুলিতে ছিল না।”
গত জানুয়ারিতে আইপ্যাকের অফিসে যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছিল, তখন সেই অফিসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজির হতে দেখা গিয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
‘আমাদের বাধ্য করবেন না এমন কোনও পর্যবেক্ষণ দিতে…’
আইপ্যাক মামলার ক্ষেত্রে রাজ্যের সামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানিয়ে দিলেন বিচারপতি। বিচারপতি পর্যবেক্ষণে আরও বলেন, “আমাদের বাধ্য করবেন না এমন কোনও পর্যবেক্ষণ দিতে, যা সংবাদ শিরোনামে উঠে আসবে। তখন বলবেন, নির্বাচন চলাকালীন প্রভাব পড়ছে।”
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফা ভোটের দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবারও সুপ্রিম কোর্টে চলবে আইপ্যাক মামলার শুনানি। আগামিকাল, সবার আগে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি।
