AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court on Kalyan Banrejee: তৃণমূলের ‘ট্রাবল মেকার’দের জন্য হাইকোর্টে কল্যাণ, পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির

High Court on Commission: কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু: আমাদের খুব খারাপ অভিজ্ঞতা আছে। বিচারকদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, ঘেরাও করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার জন্য আমাদের সুপ্রিম কোর্টের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করতে হয়েছে।

Calcutta High Court on Kalyan Banrejee: তৃণমূলের 'ট্রাবল মেকার'দের জন্য হাইকোর্টে কল্যাণ, পুলিশি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির
কলকাতা হাইকোর্টে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় Image Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Apr 22, 2026 | 2:12 PM
Share

কলকাতা: ৮০০ কর্মীকে গ্রেফতার করা হতে পারে, এই আশঙ্কা থেকে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার ছিল সেই মামলার শুনানি। নির্বাচন কমিশনের তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘Trouble Makers’ বা সমস্যা সৃষ্টিকারীদের একটি তালিকা প্রকাশ করে ‘Preventive Action’-এর কথা বলা হয়েছে। সওয়াল-জবাব সব এক নজরে…

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: এরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের। আমি যখন মামলা করি সেই সময় যে তালিকা আমি দিয়েছিলাম তার মধ্যে অনেকে বিজেপিতে যোগদান করেছে, ফলে তাদের নাম গতকালের তালিকায় নেই।

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: উত্তরপাড়ায় কাউন্সিলরদের নামও আছে

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: কেউ যদি আইন ভঙ্গ করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন। আমাদের কোনও আপত্তি নেই। কমিশন এবং পুলিশের ক্ষমতা আছে। কমিশন কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না,সেই ক্ষমতা পুলিশের আছে। কিন্তু এভাবে সার্বিকভাবে একটা নির্দেশিকা জারি করা যায় না।

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: ক্ষমতার অপব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশন। এই তালিকা ভিত্তিহীন এবং কোন কারণ না দেখিয়ে এই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়: যাঁদের নাম আছে তাঁদের কলঙ্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলাকারীর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত: ‘ট্রাবেল মেকার’ বলে কোনও শব্দ আইনে নেই। তাই কমিশন এভাবে কাউকে ‘ট্রাবেল মেকার’ বলে দাগিয়ে দিতে পারে না।

অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত: ECI-কে ব্যাখ্যা করতে হবে যে তারা কোন ক্ষমতার বলে এই নির্দেশিকা জারি করেছেন।

বিচারপতি পার্থসারথি সেন: রাজ্য বা পুলিশ কি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে কোনও পদক্ষেপ করেছে?

অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত: আমি যতদূর জানতে পেরেছি, এখনও কিছু করা হয়নি।

কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু: জাতীয় নির্বাচন কমিশন কখনই বলেনি যান গিয়ে যাকে ইচ্ছা গ্রেফতার করে নিন। কমিশন বলেছে সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য। আইন মেনে সব পদক্ষেপ করতে হবে

কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু: আমাদের উদ্দেশ্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করা

কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু: আমাদের খুব খারাপ অভিজ্ঞতা আছে। বিচারকদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে, ঘেরাও করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার জন্য আমাদের সুপ্রিম কোর্টের রোষের মুখে পড়তে হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের ১৪২ ধারা প্রয়োগ করতে হয়েছে।

কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডু: অপরাধমূলক কাজের জন্য কাউকে গ্রেফতার করা হলে তার কাছে তো আইনি সংস্থান আছে। তিনি জামিনের আবেদন করতেই পারেন।আমরা হলফনামা দাখিল করতে চাই

ডিজিপি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারের আইনজীবী জয়দীপ কর: কমিশনের গতকালের নির্দেশিকার ভিত্তিতে কোনও FIR হয়নি। যতক্ষণ না পর্যন্ত কোনও আদালতগ্রাহ্য (Cognizable Offence) অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা FIR দায়ের করতে পারি না।

কোনও ঘটনা ঘটলে আমরা দ্রুত আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করব। কারো মৌলিক অধিকার খর্ব করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।

এই মামলার শুনানি শেষ। রায়দান এখন স্থগিত রাখা হয়েছে।

Follow Us