
নয়াদিল্লি: বিহারের নির্বাচন উঠল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে। আদর্শ আচরণ বিধি জারি হওয়ার পর কীভাবে রাজ্য সরকার মহিলা ভোটারদের ব্যাঙ্কে ১০ হাজার টাকা করে ঢোকাল, সেই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হলে জন সুরাজ পার্টির প্রধান প্রশান্ত কিশোর। সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপকে ‘বেআইনি’ বলে আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন তিনি। মামলা গৃহিত হয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে। আগামিকাল শুনানি।
প্রশান্ত কিশোর ৩২ নম্বর ধারার অধীনে মামলা দায়ের করে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনায় নতুন উপভোক্তাদের সংযোজন এবং আদর্শ আচরণবিধি লাগু থাকা সত্ত্বেও ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত কাঠগড়ায় তুলেছেন। তাঁর দাবি, বিহার সরকারের এই পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪, ২১, ১১২, ২০২ এবং ৩২৪নং ধারা লঙ্ঘনের সমান। এমনকি, এই মর্মে বিহারের সরকারের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলেও আবেদন জানান প্রাক্তন ভোটকুশলী।
গতবছরের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরাট সংখ্য়াগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে নীতীশের দল ও জোট। রাজনৈতিক সমীক্ষকদের মতে, সব রেকর্ড ভেঙে এবারের ভোটে ৭১ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন মহিলারাই। যা পুরুষদের থেকে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি। মহিলাদের ভোট শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার নিরিখে নীতীশের ভূমিকা যে রয়েছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। অন্যদিকে খাতা খুলতে ব্যর্থ হয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি নিজে লড়েননি। কিন্তু তাঁর দলও খাতা খুলতে পারেনি। এবার সেই নির্বাচনকে প্রশ্নের মুখে ফেলে শীর্ষ আদালত প্রশান্ত কিশোর।