
নয়াদিল্লি: বাইরে মমতা, ভিতরে কল্যাণ। রাজনৈতিক ভাবে দিল্লিকে ঘিরতে উদ্যত তৃণমূল। সোমবার সকালে দিল্লি পুলিশ বঙ্গ ভবন ঘিরে ফেলতেই রাস্তায় নেমে পড়লেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোজা চলে গেলেন বঙ্গভবনে।
এদিন দিল্লির মাটি থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চ্য়ালেঞ্জ ছুড়ে দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “সকাল থেকে বঙ্গ ভবন দিল্লি পুলিশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। ঘরে ঘরে খুঁজে দেখছে, কে কে এসেছে। এটা করার অধিকার ওদের নেই। এটা আমাদের জায়গা।” তাঁর সংযোজন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, এটা করবেন না। আমাদের মাসল পাওয়ার দেখবেন না। আপনি যদি এভাবে ব্ল্যাক কার্পেট পেতে রাখেন, তাহলে আমরাও ব্ল্যাক রেজাল্ট দেখিয়ে দেব।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যখন একের পর এক হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, সেই সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পৌঁছে গিয়েছেন লোকসভায়। শুরু হয়ে গিয়েছে বাজেট অধিবেশন। সেই ফাঁকে উত্তাল হয় পরিস্থিতি। তখন বক্তৃতা দিতে উঠছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নিজের জায়গায় এসে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। সেই সময় আচমকা সুর চড়ালেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ওয়েলে নেমে ধিক্কার স্লোগান তুলতে দেখা যায় তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কয়েক হাত দূরেই বসেছিলেন অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে কল্য়াণকে শান্ত করতে তৎপর হন অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। তৃণমূল সাংসদকে নিজের আসনে গিয়ে বসার অনুরোধ করেন তিনি। মিনিটের মধ্যে পরিস্থিতি ঠান্ডাও হয়ে যায়। তারপর বক্তৃতা দিতে ওঠেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।