Modi at Shri Rangam Temple: রাম যাঁকে পুজো করতেন, মন্দির উদ্বোধনের আগে তাঁর পুজোয় প্রধানমন্ত্রী
Modi at Shri Rangam Temple: শুধু শ্রীরঙ্গমে পুজো দেওয়াই নয়, সেখানে বসে কাম্বা রামায়ণও শুনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অনেকেই জানেন, রামায়ণ মহাকাব্য বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। তার মধ্য়ে এই কাম্বা রামায়ণ সবথেকে পুরনো বলেই জানা যায়।

তামিলনাড়ু: রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার ঠিক দু’দিন আগে সাবেকি পোশাকে শ্রী রঙ্গনাথস্বামী মন্দিরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর এই মন্দির দর্শন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এই মন্দিরের সঙ্গে রামের এক বিশেষ সংযোগ রয়েছে। শ্রী রঙ্গনাথস্বামী আসলে বিষ্ণু বলেই জানা যায়। কথিত আছে, ওই মন্দিরে যে শ্রীরঙ্গমের মূর্তি আছে, তাকে একসময় পুজো করতেন রাম ও তাঁর পূর্ব পুরুষেরা। ব্রহ্মাই নাকি রামের পূর্ব পুরুষদের হাতে এই মূর্তি তুলে দিয়েছিলেন। তাঁরা এই মূর্তি নিয়ে গিয়েছিলেন অযোধ্যায়। নিত্যপুজো করতেন দশরথের পরিবারের সদস্যরা। রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে সেই শ্রীরঙ্গমের মন্দিরেই গেলেন প্রধানমন্ত্রী।
কথিত আছে, সেই মূর্তিই আবার উপহার হিসেবে বিভীষণকে দিয়েছিলেন রাম। বিভীষণ যখন রামের কাছে বহুমূল্য উপহার চেয়েছিলেন, তখন তাঁকে ওই মূর্তি দিয়ে পুজো করতে বলেন রাম। এরপর বিভীষণ যখন লঙ্কার দিকে যাচ্ছেন, সে সময় মূর্তিটি রেখে দেন শ্রীরঙ্গমে। তাই যে মূর্তির সঙ্গে রাম ও তাঁর পরিবারের এমন যোগ রয়েছে, সেই মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর এই পুজো যে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা বোঝাই যাচ্ছে।
শুধু শ্রীরঙ্গমে পুজো দেওয়াই নয়, সেখানে বসে কাম্বা রামায়ণও শুনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অনেকেই জানেন, রামায়ণ মহাকাব্য বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। তার মধ্য়ে এই কাম্বা রামায়ণ সবথেকে পুরনো বলেই জানা যায়। দ্বাদশ শতকে তামিল কবি কাম্বান ওই রামায়ণ রচনা করেছিলেন। আর এই শ্রীরঙ্গম মন্দিরের সঙ্গে কাম্বান রামায়ণের নিবিড় যোগ রয়েছে। এই মন্দিরেই প্রথম তাঁর রচনা করা রামায়ণ প্রকাশ্যে আনেন কাম্বান। যেখানে বসে প্রথম ওই তামিল রামায়ণ পাঠ হয়েছিল, সেখানে বসেই এদিন রামায়ণের কাহিনি শোনেন মোদী।
