New Pamban Bridge: জাহাজ পথেই চলবে ট্রেন! সমুদ্রের উপরেই নতুন ব্রিজ তৈরি কেন্দ্রের
New Pamban Bridge: পুরনো রেল সেতু বন্ধ হওয়ায় তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দ্বিতীয় পামবান রেল ব্রিজ তৈরির। অবশেষে প্রায় দু'বছর পেরিয়ে চলতি বছরেই নতুন ব্রিজে শুরু হতে চলেছে ট্রেন চলাচল।

রামেশ্বরাম: দুই দিকে দু’টি প্রান্ত। মাঝে অতল সমুদ্র। আগে তাও ট্রেন চলত। কিন্তু কয়েক বছর ধরে সেটাও বন্ধ হয়েছে। তাই যাতায়াতের পথটাও যেন বড়ই জটিল হয়েছিল রামেশ্বরাম ও মণ্ডপমের বাসিন্দাদের জন্য।
ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে রামেশ্বরাম বা পামবান দ্বীপকে জুড়তে এটিই একমাত্র রেল পথ। কিন্তু ২০২২ সালে শেষবারের মতো ট্রেন চলে এই রেল ব্রিজে। মূলত, ব্রিজের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় যাত্রী নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। তখন পর্যটকদের দোসর হয় সেই পুরনো ইন্দিরা পয়েন্ট সেতুই।
পুরনো রেল সেতু বন্ধ হওয়ায় তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দ্বিতীয় পামবান রেল ব্রিজ তৈরির। অবশেষে প্রায় দু’বছর পেরিয়ে চলতি বছরেই নতুন ব্রিজে শুরু হতে চলেছে ট্রেন চলাচল। পরিত্যক্ত হয়েছে পুরনো ব্রিজটি। ৫৩৫ কোটি টাকা খরচ করে ২ কিমি নতুন ব্রিজ তৈরি করেছে কেন্দ্র। শুক্রবার এই ব্রিজ হয়ে প্রথম ট্রায়াল রানটাও সেরে ফেলে ভারতীয় রেল।
উল্লেখ্য, রেল ব্রিজ তৈরির আগে ভারতের শেষ ভূখণ্ড অর্থাৎ রামেশ্বরামে যেতে মূলত ইন্দিরা পয়েন্ট ব্রিজ ব্যবহার করতেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। কিন্তু সড়ক পথে রামেশ্বরাম পৌঁছতে সময় লেগে যেত প্রায় ঘণ্টা চারেক। সেই সমস্যার সমাধানে প্রথম রেল ব্রিজটি তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার।
তবে তাতে যে বিশেষ সময়ের ব্যবধান কমেছিল এমনটা নয়। সেই ব্রিজ হয়ে ট্রেনে করে যেতে সময় লাগত ঘণ্টা তিনেক। মূলত, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ধীর গতিতে চালানো হত ট্রেনগুলি। কিন্তু এবার নতুন ব্রিজের মাধ্যমে সেই সময় আরও কমবে বলেই মত কেন্দ্রের।
অত্য়াধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় খুব সহজেই প্রতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার বেগে ছোটানো যাবে ট্রেনগুলি, দাবি ভারতীয় রেলের। পাশাপাশি, সমুদ্র সীমানা হওয়া এই রুটে হামেশাই টহলদারি দিয়ে থাকে সেনা জাহাজগুলিও। তাই সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখে এই ব্রিজে বড় পরিবর্তন এনেছে রেল। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, জাহাজ পারাপার করানোর জন্য মাঝখান থেকে ১৭ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে যেতে পারে ব্রিজটি।

