AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Odisha Ram Temple: অযোধ্যা থেকে ১০০০ কিলোমিটার দূরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামের আরও এক মন্দিরে

Ram Temple Inaugurated in Odisha: একই দিনে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৮০০ ফুট উঁচুতে পাহাড়ের উপরে নির্মিত এই মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হল। কোথায় তৈরি হল এই মন্দির? ওড়িশার নয়াগড়ের ফতেগড় গ্রামে তৈরি হয়েছে এই মন্দির। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী মন্দিরটি ৭৩ ফুট উঁচু।

Odisha Ram Temple: অযোধ্যা থেকে ১০০০ কিলোমিটার দূরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামের আরও এক মন্দিরে
ওড়িশার ফতেগড় গ্রামের রাম মন্দিরImage Credit: Twitter
| Updated on: Jan 22, 2024 | 8:33 PM
Share

ভুবনেশ্বর: সোমবার (২২ জানুয়ারি), সারা বিশ্বের চোখ ছিল অযোধ্যার দিকে। প্রায় ৫ শতাব্দী পরে ভব্য মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হল রামলালার। একই দিনে অযোধ্যা থেকে ১,০০০ কিলোমিটার দূরে রামের উদ্দেশ্যে নিবেদন করা হল আরও এক মন্দির। অযোধ্যার মতো প্রচার ছিল না। ভিভিআইপিরা ছিলেন না। তবে একই দিনে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৮০০ ফুট উঁচুতে পাহাড়ের উপরে নির্মিত এই মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হল। কোথায় তৈরি হল এই মন্দির? ওড়িশার নয়াগড়ের ফতেগড় গ্রামে তৈরি হয়েছে এই মন্দির। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী মন্দিরটি ৭৩ ফুট উঁচু। আর এই মন্দির নির্মাণের প্রয়োজনীয় খরচ দিয়েছেন গ্রামবাসীরা এবং রাজ্যের অন্যান্য জায়গার রামভক্তরা। তবে, অর্ধেক খরচই বহন করেছেন ফতেগড়ের বাসিন্দারাই।

সূত্রের খবর, এই মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। ১৫০-রও বেশি কর্মীর সাত বছরেরও বেশি সময়ের ‘ভালবাসার শ্রমে’ রূপ পেয়েছে মন্দিরটি। ঐতিহ্যবাহী ওড়িয়া স্থাপত্য শৈলীতে নির্মাণ করা হয়েছে এই মন্দিরটি। মন্দিরের কাঠামোটির সঙ্গে তারা তারিণী এবং কোনার্কের সূর্য মন্দিরের মিল রয়েছে। মন্দিরের গর্ভগৃহটি ৬৫ ফুটের। মূল মন্দিরের চারপাশে সূর্য, শিব, গণেশ এবং হনুমানকে উৎসর্গ করা চারটি অভয়ারণ্য রয়েছে।

মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটনের পর, এই পাহাড়ি মন্দিরটি আধ্বাত্মিক পর্যটনের এক বড় কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন গ্রামবাসীরা। ফতেগড়ের সঙ্গে রামের এই যোগাযোগের সূত্রপাত ১৯১২ সালে। সেই বছর ওড়িশার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে নবকলেবর অনুষ্ঠান হয়েছিল। অর্থাৎ, জগন্নাথ, বলরাম এবং শুভদ্রার নতুন কাঠের মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। ফতেগড়ের এক পবিত্র গাছ থেকে কাঠ পাঠানো হয়েছিল সেই নবকলেবর তৈরির জন্য। এই ঐতিহাসিক সংযোগকে সম্মান জানাতেই ফতেগড় গ্রামের বাসিন্দারা শ্রী রাম সেবা পরিষদ কমিটি গঠন করে। এই কমিটিই গ্রামে রাম মন্দিরটি তৈরি করেছে।

তবে, শুধু এই সংযোগই নয়, যে জায়গায় মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে, তার ইতিহাসও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, একবার ভয়ঙ্কর খরা দেখা দিয়েছিল। তখন ওই জায়গাতেই বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছিলেন গ্রামবাসীরা। আর তাতে ফলও হয়েছিল। সেই থেকে ওই পাহাড় গিরি গোবর্ধন নামে পরিচিত।

Follow Us