Bangla NewsIndia PM Narendra Modi Address BJP Foundation Day, Says BJP Workers Didn't get Scared of Violence in West Bengal & Keralam
PM Modi BJP Foundation Day Speech: বাংলা-কেরলমের হিংসাতেও ভয় পায়নি বিজেপি কর্মীরা: প্রধানমন্ত্রী মোদী
Modi on Political Violence in West Bengal & Keralam: প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিজেপি কর্মীরা দেশের সেবায় ছুটে বেড়াত, জেলে যেতেও ভয় পেত না। ওই কঠিন সময়েও বিজেপি কর্মীদের ভবিষ্যতের উপরে ভরসা ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল, তারা যে পরিশ্রম করছেন, তাতে আগামিদিনে ভারতের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।"
নয়া দিল্লি: বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশংসা করলেন বিজেপি কর্মীদের। বললেন, দেশের নিরন্তর সেবা করে চলেছেন। সেবার উপরে নির্ভর করে রাজনীতি করা হয় বিজেপিতে। একইসঙ্গে বাংলার হিংসার কথাও উঠে এল প্রধানমন্ত্রীর মুখে। এ দিন তিনি বলেন-
কত কম সময়ে আমরা বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠেছি। পরিবেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আমরা দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছি। লাগাতার কাজ করছি দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই দায়িত্ব বিজেপিই পূরণ করতে পারে।
কংগ্রেস শুধু একটা পরিবারকে গুরুত্ব দিয়েছে। বাকিদের সঙ্গে অন্যায় করেছে। বিজেপি সকলকে উচিত সম্মান দেয়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর নামে পরাক্রম দিবস, আন্দামানে ওঁর নামে দ্বীপ, ২৬ জানুয়ারির প্যারেডে আজাদ বাহিনীকে স্যালুট করা হয়েছে। বিজেপি রাষ্ট্রনেতাদের সম্মান দিয়েছে।
আজ আমরা প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হচ্ছি। সীমান্তে সুরক্ষার জন্য নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে, যাতে ভারত সুরক্ষিত থাকে। নকশালবাদ, মাওবাদ দমন করা হয়েছে। বিজেপি আজ ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ার সংকল্পে এগোচ্ছে। দেশকে জুড়ছি আমরা। রাষ্ট্রসেবা করছি। রাষ্ট্রীয় শিক্ষা নীতির অধীনে মাতৃভাষায় পড়ার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। আমরা বিশ্বকে পরিবার মানি। যুদ্ধের সময়েও সেই বিশ্বাস দেখা যাচ্ছে।
আমরা সুশাসনের নজির হয়ে উঠেছি। আমরা দেশের মানুষকে দারিদ্রতা থেকে তুলে এনেছি। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মজুমদার জম্মু-কাশ্মীরের জন্য নিজের প্রাণ দিয়ে দিয়েছিলেন, ৩৭০ অনুচ্ছেদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা করা অসম্ভব বলে মনে করা হত। কিন্তু বিজেপির সংকল্প ছিল, ৩৭০-র কলঙ্ক দেশের মাথা থেকে মুছে ফেলা হবে।
আমাদের আগে দেশ পরিবার, বংশবাদী রাজনীতি দেখেছে। আমাদের শাসন মডেলে নীতিতে স্থিতিশীলতা ছিল। আমাদের উপরে বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে আমরা যা বলি, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করি। ভারতীয় জনতা পার্টি ভদোদরায় ১৯৯৪ সালে মহিলা সংরক্ষণের কথা বলেছিলাম। আমরা এই সিদ্ধান্তও নিয়েছিলাম যে সংগঠনে মহিলাদের বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় আসার পর সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি। ২০২৯ সালে নারী শক্তি অধিনিয়মে নির্বাচন হোক-এটাই চাই।
আমাদের গর্ব হয় যে ভারতের রাজনীতিতে আমরা নতুন সিদ্ধান্ত স্থাপন করেছি। রাষ্ট্রকে প্রাধান্য বা অগ্রগণ্যতা দেওয়া। রাষ্ট্রের একতা, রাষ্ট্রের উন্নতি, এটাই আমাদের পরিচিতি হয়ে গিয়েছে। জোট রাজনীতিতেও নজির গড়েছে বিজেপি। রাষ্ট্রের উন্নতির লক্ষ্যে এনডিএ তৈরি করা হয়। ২৫ বছর হয়ে গিয়েছে, এনডিএ পরিবার আরও বড় হচ্ছে।
আমরা অনেক সরকারের অংশ ছিলাম, কিন্তু আমাদের পার্টি সবসময় জনসেবার অংশ ছিল। এই সেবা ধর্মের জন্যই সাধারণ মানুষের বিজেপির উপরে বিশ্বাস বেড়েছে। ১৯৮৪-র কথা ভোলা যায় না, যখন কংগ্রেস রেকর্ড আসনে জয়ী হয়েছিল, কিন্তু মানুষ দেখছিল যে কীভাবে তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছিল কংগ্রেস। এই সময় বিজেপির উপরে ভরসা বাড়ে সাধারণ মানুষের। সেই সময় দুটি ধারা তৈরি হয়। এক, সত্তার রাজনীতি ও দুই সেবার রাজনীতি। মানুষের সত্তার রাজনীতির উপরে ভরসা কমে, সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাস তৈরি হয়।
দেশে দীর্ঘ সময় পরে কোনও পার্টি এত জনমত পেয়েছে। এই সাফল্য নীতি, নিয়ম ও নিষ্ঠার দীর্ঘ যাত্রার ফল। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের বিশাল বটবৃক্ষের ছত্রছায়ায় রাজনীতিতে পা রাখার প্রেরণা পেয়েছি। প্রথম কয়েক দশকে আমরা সংগঠনের জন্য প্রাণ লড়িয়ে দিয়েছি। এত কার্যকর্তা সেবার চিন্তাধারায় এগিয়েছে। আমরা মূল্যে অবিচল ছিলাম। জনকল্যাণকে মন্ত্র করে এগিয়েছিলাম।
এই লড়াইয়ে কত কার্যকর্তার প্রাণ গিয়েছে। বাংলা ও কেরলমে আমরা দেখেছি যে কীভাবে হিংসাকে রাজনীতির অংশ করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি কর্মী এই পরিস্থিতিতেও ভয় পায়নি, দমেনি। আজও বিজেপি কর্মীরা দেশসেবার চিন্তাধারায় নিরন্তর কাজ করছেন। সকল বিজেপি কর্মীকে প্রণাম জানাই।
বিজেপি কর্মীরা দেশের সেবায় ছুটে বেড়াত, জেলে যেতেও ভয় পেত না। ওই কঠিন সময়েও বিজেপি কর্মীদের ভবিষ্যতের উপরে ভরসা ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল, তারা যে পরিশ্রম করছেন, তাতে আগামিদিনে ভারতের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। এমার্জেন্সির সময় দমন, কংগ্রেসের ষড়যন্ত্র, আমাদের রাজনীতিতে অচ্ছুৎ করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাও নিজের সংকল্প, পরিশ্রমে এখানে আনা গিয়েছে দলকে।
নয়া দিল্লি: বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশংসা করলেন বিজেপি কর্মীদের। বললেন, দেশের নিরন্তর সেবা করে চলেছেন। সেবার উপরে নির্ভর করে রাজনীতি করা হয় বিজেপিতে। একইসঙ্গে বাংলার হিংসার কথাও উঠে এল প্রধানমন্ত্রীর মুখে। এ দিন তিনি বলেন-
কত কম সময়ে আমরা বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠেছি। পরিবেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আমরা দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছি। লাগাতার কাজ করছি দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই দায়িত্ব বিজেপিই পূরণ করতে পারে।
কংগ্রেস শুধু একটা পরিবারকে গুরুত্ব দিয়েছে। বাকিদের সঙ্গে অন্যায় করেছে। বিজেপি সকলকে উচিত সম্মান দেয়। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর নামে পরাক্রম দিবস, আন্দামানে ওঁর নামে দ্বীপ, ২৬ জানুয়ারির প্যারেডে আজাদ বাহিনীকে স্যালুট করা হয়েছে। বিজেপি রাষ্ট্রনেতাদের সম্মান দিয়েছে।
আজ আমরা প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হচ্ছি। সীমান্তে সুরক্ষার জন্য নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে, যাতে ভারত সুরক্ষিত থাকে। নকশালবাদ, মাওবাদ দমন করা হয়েছে। বিজেপি আজ ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ার সংকল্পে এগোচ্ছে। দেশকে জুড়ছি আমরা। রাষ্ট্রসেবা করছি। রাষ্ট্রীয় শিক্ষা নীতির অধীনে মাতৃভাষায় পড়ার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। আমরা বিশ্বকে পরিবার মানি। যুদ্ধের সময়েও সেই বিশ্বাস দেখা যাচ্ছে।
আমরা সুশাসনের নজির হয়ে উঠেছি। আমরা দেশের মানুষকে দারিদ্রতা থেকে তুলে এনেছি। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মজুমদার জম্মু-কাশ্মীরের জন্য নিজের প্রাণ দিয়ে দিয়েছিলেন, ৩৭০ অনুচ্ছেদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা করা অসম্ভব বলে মনে করা হত। কিন্তু বিজেপির সংকল্প ছিল, ৩৭০-র কলঙ্ক দেশের মাথা থেকে মুছে ফেলা হবে।
আমাদের আগে দেশ পরিবার, বংশবাদী রাজনীতি দেখেছে। আমাদের শাসন মডেলে নীতিতে স্থিতিশীলতা ছিল। আমাদের উপরে বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে আমরা যা বলি, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করি। ভারতীয় জনতা পার্টি ভদোদরায় ১৯৯৪ সালে মহিলা সংরক্ষণের কথা বলেছিলাম। আমরা এই সিদ্ধান্তও নিয়েছিলাম যে সংগঠনে মহিলাদের বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা ক্ষমতায় আসার পর সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছি। ২০২৯ সালে নারী শক্তি অধিনিয়মে নির্বাচন হোক-এটাই চাই।
আমাদের গর্ব হয় যে ভারতের রাজনীতিতে আমরা নতুন সিদ্ধান্ত স্থাপন করেছি। রাষ্ট্রকে প্রাধান্য বা অগ্রগণ্যতা দেওয়া। রাষ্ট্রের একতা, রাষ্ট্রের উন্নতি, এটাই আমাদের পরিচিতি হয়ে গিয়েছে। জোট রাজনীতিতেও নজির গড়েছে বিজেপি। রাষ্ট্রের উন্নতির লক্ষ্যে এনডিএ তৈরি করা হয়। ২৫ বছর হয়ে গিয়েছে, এনডিএ পরিবার আরও বড় হচ্ছে।
আমরা অনেক সরকারের অংশ ছিলাম, কিন্তু আমাদের পার্টি সবসময় জনসেবার অংশ ছিল। এই সেবা ধর্মের জন্যই সাধারণ মানুষের বিজেপির উপরে বিশ্বাস বেড়েছে। ১৯৮৪-র কথা ভোলা যায় না, যখন কংগ্রেস রেকর্ড আসনে জয়ী হয়েছিল, কিন্তু মানুষ দেখছিল যে কীভাবে তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছিল কংগ্রেস। এই সময় বিজেপির উপরে ভরসা বাড়ে সাধারণ মানুষের। সেই সময় দুটি ধারা তৈরি হয়। এক, সত্তার রাজনীতি ও দুই সেবার রাজনীতি। মানুষের সত্তার রাজনীতির উপরে ভরসা কমে, সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাস তৈরি হয়।
দেশে দীর্ঘ সময় পরে কোনও পার্টি এত জনমত পেয়েছে। এই সাফল্য নীতি, নিয়ম ও নিষ্ঠার দীর্ঘ যাত্রার ফল। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের বিশাল বটবৃক্ষের ছত্রছায়ায় রাজনীতিতে পা রাখার প্রেরণা পেয়েছি। প্রথম কয়েক দশকে আমরা সংগঠনের জন্য প্রাণ লড়িয়ে দিয়েছি। এত কার্যকর্তা সেবার চিন্তাধারায় এগিয়েছে। আমরা মূল্যে অবিচল ছিলাম। জনকল্যাণকে মন্ত্র করে এগিয়েছিলাম।
এই লড়াইয়ে কত কার্যকর্তার প্রাণ গিয়েছে। বাংলা ও কেরলমে আমরা দেখেছি যে কীভাবে হিংসাকে রাজনীতির অংশ করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিজেপি কর্মী এই পরিস্থিতিতেও ভয় পায়নি, দমেনি। আজও বিজেপি কর্মীরা দেশসেবার চিন্তাধারায় নিরন্তর কাজ করছেন। সকল বিজেপি কর্মীকে প্রণাম জানাই।
বিজেপি কর্মীরা দেশের সেবায় ছুটে বেড়াত, জেলে যেতেও ভয় পেত না। ওই কঠিন সময়েও বিজেপি কর্মীদের ভবিষ্যতের উপরে ভরসা ছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল, তারা যে পরিশ্রম করছেন, তাতে আগামিদিনে ভারতের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। এমার্জেন্সির সময় দমন, কংগ্রেসের ষড়যন্ত্র, আমাদের রাজনীতিতে অচ্ছুৎ করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাও নিজের সংকল্প, পরিশ্রমে এখানে আনা গিয়েছে দলকে।