Pune Crime Update: কেতন হত্যাকাণ্ডে ক্রিকেট-যোগ! এবার বিস্ফোরক দাবি সিয়ার দাদার
Ketan Agarwal Death Investigation: সিয়ার দাদা সাহিল জানিয়েছেন, সিয়া যদি কেতনকে বিয়ে করায় আপত্তি জানাত, তাহলে পরিবার থেকেই বিয়ে ভেঙে দেওয়া হত। তবে, সিয়ার মা পূজা গোয়েলের দাবি, কোনওদিন চেতন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা বা কথা বলেননি তিনি। এদিকে, তদন্তকারী আধিকারিকরা সূত্র মারফত জানতে পেরেছেন, চেতনের কথা জানতেন পরিবার।

মুম্বই: পুণের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের হত্যাকাণ্ডে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসছে। ইতিমধ্যেই পুলিশি জেরায় মুখ খুলতে শুরু করেছে সিয়া। পুলিশকে জানিয়েছেন, পরিবারকে বিয়েতে আপত্তির কথা জানানোর থেকে সহজ ছিল কেতনকে খুন করা। এদিকে, সিয়ার দাদা বলছেন উল্টো কথা। তিনি দাবি করেছেন, সিয়া যদি আগে আপত্তি জানাত, তাহলে তাঁরা চেতনের সঙ্গেই বোনের বিয়ে দিত। তাঁর আরও দাবি, চেতনকে আগের থেকেই তিনি চিনতেন। সেই প্রসঙ্গেই ঘটনায় এবার উঠে এল ক্রিকেট যোগ।
কীভাবে উঠে এল ক্রিকেট যোগ?
ক্রিকেটের মাঠেই পরিচয় চেতন ও সিয়ার। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে সিয়া গোয়ালের ভাই সাহিল গোয়াল এমনটাই জানিয়েছেন। সাহিলকে টানা ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। সেখানেই জানান, তাঁর ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে নিয়মিত যেতেন সিয়া। সেখানেই প্রথম চেতন চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে গত বছরের দীপাবলির একটি পার্টিতে আবার তাঁদের দেখা হয়। এরপর থেকেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। যদিও, সিয়ার বাবা-মা প্রথমে দাবি করেছিলেন, তাঁরা চেতনকে চিনতেন না। কিন্তু সাহিল জানিয়েছেন, তিনি চেতনকে আগে থেকেই চিনতেন। এদিকে, সিয়ার বাবা-মা প্রথমে দাবি করেছিলেন, তাঁরা চেতনকে চিনতেন না। কিন্তু সাহিল জানালেন, চেতনকে আগে থেকেই চিনতেন।
বয়ানে কি অসঙ্গতি?
সাহিল আরও জানিয়েছেন, সিয়া যদি কেতনকে বিয়ে করায় আপত্তি জানাত, তাহলে পরিবার থেকেই বিয়ে ভেঙে দেওয়া হত। তবে, সিয়ার মা পূজা গোয়েলের দাবি, কোনওদিন চেতন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা বা কথা বলেননি তিনি। এদিকে, তদন্তকারী আধিকারিকরা সূত্র মারফত জানতে পেরেছেন, চেতনের কথা জানতেন পরিবার। তাঁরাই চেতনের থেকে সিয়াকে দূরে রাখতে চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, সিয়ার আইনজীবীর দাবি, সিয়া ও চেতন শুধুই বন্ধু ছিলেন। অর্থাৎ বয়ানে অসঙ্গতি আরও ধোঁয়াশা তৈরি করছে।
তদন্তে পাওয়া কল রেকর্ড অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সিয়া ও চেতনের মধ্যে ২ হাজারের বেশিবার ফোনে কথা হয়েছে। ফোনে কথোপকথনের সময় প্রায় ২৩৮ ঘণ্টা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী নিজেদের মোবাইল ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, ইনস্টাগ্রামের চ্যাট-সহ একাধিক ডিজিটাল তথ্য মুছে ফেলেছেন। সেই তথ্যগুলি এখন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, খুনের আগের দিন অর্থাৎ ১৭ জুন পুনের লুল্লানগরের একটি ক্যাফেতে প্রায় এক ঘণ্টা একসঙ্গে কাটিয়েছিলেন সিয়া ও চেতন। সেখানেই খুনের পরিকল্পনা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
