e SBI Clerk Fraud: ১০০ জনের FD ভেঙে পালাল SBI ক্লার্ক! রাতারাতি উধাও ৫ কোটি টাকা, তারপর... - Bengali News | SBI Clerk Disappears After Multi Crore Fraud at Faridkot Branch | TV9 Bangla News
AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SBI Clerk Fraud: ১০০ জনের FD ভেঙে পালাল SBI ক্লার্ক! রাতারাতি উধাও ৫ কোটি টাকা, তারপর…

SBI Clerk Fraud: এই গ্রাহকদের প্রায় প্রত্যেকেই প্রবীণ নাগরিক। যার জেরে তাদের অ্যাকাউন্টেই জমা ছিল গোটা জীবনের কষ্টার্জিত। আর সেটাই নাকি এখন উধাও।

SBI Clerk Fraud: ১০০ জনের FD ভেঙে পালাল SBI ক্লার্ক! রাতারাতি উধাও ৫ কোটি টাকা, তারপর...
হুলস্থুল স্টেট ব্যাঙ্কেImage Credit: X
| Updated on: Jul 26, 2025 | 8:49 PM
Share

পঞ্জাব: দেশের অন্যতম বিশ্বস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে এটিই কার্যত শীর্ষে। সেই স্টেট ব্যাঙ্কেই নাকি কোটি কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণা। সাধারণের টাকা একেবারে নয়ছয় করে দিল সংস্থার এক কর্মী।

ঘটনা পঞ্জাবের ফরিদকোট শাখার। সেখানে এক স্টেট ব্যাঙ্কের ক্লার্কের বিরুদ্ধে উঠল সাধারণ গ্রাহকদের টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ১০০-এর অধিক গ্রাহকদের FD-এর টাকা ভেঙে নিজের পকেটে ঢুকিয়ে নিয়েছে এই ব্যাঙ্ক কর্মী। আর ঘটনা জানাজানি হতেই উধাও হয়েছে অভিযুক্ত।

কিন্তু কীভাবেই বা গোটা ব্যাপারটা ফাঁস হল? বুধবার হঠাৎ করেই ব্যাঙ্কে এসে জড়ো হলেন শ’য়ে শ’য়ে গ্রাহক। এসেই তারা ঘিরে ধরলেন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের ঘর। ঘেরাও করা হল ব্যাঙ্ক চত্বরও। অভিযোগ উঠল, সেই গ্রাহকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাকি একেবারে ফাঁকা। রাতারাতি সেই টাকা কেউ বা কারা যেন নিয়ে পালিয়েছে। যার জেরে মাথায় হাত পড়েছে তাদের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গ্রাহকদের প্রায় প্রত্যেকেই প্রবীণ নাগরিক। যার জেরে তাদের অ্যাকাউন্টেই জমা ছিল গোটা জীবনের কষ্টার্জিত। আর সেটাই নাকি এখন উধাও।

রাতারাতি কে এই টাকা তুলে নিল? লেনদেন ট্র্যাক করতেই সন্দেহের তির গেল ব্যাঙ্কের ওই শাখায় কর্মরত এক ক্লার্কের দিকে। নাম অমিত ধিনগ্রা। যে আপাতত পলাতক। মিলছে না হদিশ। পরমজিৎ কউর নামে এক গ্রাহক জানিয়েছেন, ‘আমরা ২২ লক্ষ টাকার জয়েন্ট FD ছিল। কিন্তু এখন অ্যাকাউন্টটা পুরো ফাঁকা।’ সন্দীপ সিং নামে এক গ্রাহক আবার জানিয়েছেন, তার অ্যাকাউন্টে ৪ লক্ষ টাকা সেভিং ছিল। যা এখন কমে এসে ঠেকেছে ৫০ হাজার টাকায়। বাকি টাকার কোনও হদিশ নেই। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই গোটা প্রতারণার ঘটনায় আনুমানিক ৫ কোটি টাকা লোপাট গিয়েছে বলেই আশঙ্কা।