AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee : ‘আমি স্তম্ভিত, সব সীমা লঙ্ঘন করেছে কমিশন’, ফের জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী

Mamata Banerjee writes letter to Gyanesh Kumar : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠিতে লিখেছেন, "কমিশনের কাজের পদ্ধতিতে আমি স্তম্ভিত। শালীনতা ও সাংবিধানিক শিষ্টাচারের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে কমিশন। কমিশনের কাজে সুপ্রিম কোর্টে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম।" এসআইআর প্রক্রিয়ায় ফের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, "বাস্তব বোধের অভাব রয়েছে কমিশনের। আমি বারবার বিষয়গুলি কমিশনের নজরে এনেছি, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।

Mamata Banerjee : 'আমি স্তম্ভিত, সব সীমা লঙ্ঘন করেছে কমিশন', ফের জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠিImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 19, 2026 | 8:41 PM
Share

কলকাতা : ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে ফের তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এসআইআর আবহে এর আগেও একাধিকবার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি, প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে চিঠি লিখেছিলেন। এবার নির্বাচন কমিশনের কাজের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি। প্রশাসনিক বদলি নিয়েও ফের সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

চিঠিতে কী লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠিতে লিখেছেন, “কমিশনের কাজের পদ্ধতিতে আমি স্তম্ভিত। শালীনতা ও সাংবিধানিক শিষ্টাচারের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে কমিশন। কমিশনের কাজে সুপ্রিম কোর্টে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম।” এসআইআর প্রক্রিয়ায় ফের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মমতা লেখেন, “বাস্তব বোধের অভাব রয়েছে কমিশনের। আমি বারবার বিষয়গুলি কমিশনের নজরে এনেছি, কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। মানুষের স্বার্থ দেখে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিলাম। আদালত কিছু নির্দেশ দিয়েছে, যা বাস্তবায়নাধীন।” তাঁর দাবি, SIR প্রক্রিয়া এখনও চলমান, কিন্তু, তালিকা প্রকাশে দেরি করা হচ্ছে। আবেদনের জন্য সাধারণ মানুষের হাতে খুব কম সময় রয়েছে।

নির্বাচন ঘোষণার পর হঠাৎ বড়সড় প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে ফের সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। একাধিক জেলা শাসক, পুলিশ সুপার ও কমিশনারদেরও সরানো হয়েছে। কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ বা নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ছাড়াই বদলির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। নির্বাচনের আবহে ডিইও বদলি ‘দুরভিসন্ধিমূলক’ বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও পরামর্শ না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ ছাড়াই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, রদবদলের ফলে প্রশাসনিক কাজকর্মে বড়সড় বিঘ্নের আশঙ্কা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা, সীমান্ত নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা প্রভৃতিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে ‘একতরফা’, ‘তাড়াহুড়ো’ ও ‘ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে অভিযোগ তুলেছেন। রাজ্যে প্রশাসনিক অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পরিহাস। নির্বাচনের সময়েও নির্বাচিত সরকারকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কমিশনকে এই ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছেন মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। জনস্বার্থ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার দাবি তুলেছেন।

Follow Us