AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Electoral Bonds: সুপ্রিম ধমক খেয়ে ‘চার মাসের কাজ’ একদিনেই করে ফেলল এসবিআই

Electoral Bonds: মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর, বল চলে গেল কমিশনের কোর্টে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৫ মার্চ, অর্থাৎ, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে এই তথ্য প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এই তথ্য যে দেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে এসবিআই-কে এই বিষয়ে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।

Electoral Bonds: সুপ্রিম ধমক খেয়ে 'চার মাসের কাজ' একদিনেই করে ফেলল এসবিআই
প্রতীকী ছবিImage Credit: Twitter
| Updated on: Mar 12, 2024 | 7:36 PM
Share

নয়া দিল্লি: আগে বলেছিল, সময় লাগবে ৪ মাস। কিন্তু, সুপ্রিম ধমক খাওয়ার পর, একদিনের মধ্যে ভারতের নির্বাচন কমিশনের হাতে নির্বাচনী বন্ড সম্পর্কে তথ্য তুলে দিল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর, বল চলে গেল কমিশনের কোর্টে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ১৫ মার্চ, অর্থাৎ, শুক্রবার বিকেল ৫টার মধ্যে এই তথ্য প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এই তথ্য যে দেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত করতে এসবিআই-কে এই বিষয়ে একটি হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। এসবিআই-এর চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর অবশ্য এখনও কোনও হলফনামা দাখিল করেননি। ব্যাঙ্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, হলফনামাটি প্রস্তুত আছে, তবে, এখনও তা আদালতে জমা দেওয়া হয়নি।

গত মাসে, এক যুগান্তকারী রায়ে, নির্বাচনী বন্ড প্রকল্পকে ‘অসাংবিধানিক’ বলেছিল এবং এই প্রকল্প বাতিল করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছিল, এই প্রকল্প নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার লঙ্ঘন করেছে। কারা কারা নির্বাচনী বন্ড কিনেছে এবং কোন কোন রাজনৈতিক দল সেই বন্ড পেয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য এসবিআইকে ৬ মার্চের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, নির্ধারিত সময়ের মাত্র ২দিন আগে আদালতকে ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, এই তথ্য সংগ্রহ করতে, যাচাই করতে এবং প্রকাশ করতে যথেষ্ট সময় লাগবে। এসবিআই-এর পক্ষ থেকে আদালতের কাছে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, তার আগেই লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। অর্থাৎ, নির্বাচনের আগে এই তথ্য তারা দিতে পারবে না বলে জানিয়েছিল এসবিআই।

সোমবার (১১ মার্চ), স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছিল, ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের আদেশ মানা হয়নি। আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সতর্কও করা হয়। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, “আমরা এখনই আদালত অবমাননার এক্তিয়ার প্রয়োগ করতে চাই না। তবে, এসবিআইকে সতর্ক করছি, আদালতের নির্দেশিত সময়সীমা যদি তারা না মানে, তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের অবাধ্যতা করার দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেব।”

Follow Us