Supreme Court: বাবরি-নির্মাণের অনুমতি বাতিলের আর্জি! হুমায়ুনের প্রসঙ্গে টেনে সুপ্রিম কোর্টে মামলা

Supreme Court on Babri Masjid: মোঘল সম্রাট বাবরকে 'সাম্রাজবাদী' বলে অভিহিত করেন। তাঁর যুক্তি, দেশের অন্দরে বাবরের নামে নতুন করে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণ করা উচিত নয়। এমনকি, বাবর যেহেতু হিন্দুদের দাসে পরিণত করেছিলেন, তাই তাঁকে নতুন করে সম্মান প্রদানের কোনও জায়গা নেই বলেই বিচারপতি বেঞ্চকে জানান সওয়ালকারী।

Supreme Court: বাবরি-নির্মাণের অনুমতি বাতিলের আর্জি! হুমায়ুনের প্রসঙ্গে টেনে সুপ্রিম কোর্টে মামলা
সুপ্রিম কোর্ট Image Credit source: নিজস্ব চিত্র

|

Feb 20, 2026 | 2:17 PM

নয়াদিল্লি: বাবরের নামে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণে যেন অনুমতি না-দেওয়া হয়। সম্প্রতি এই মর্মেই প্রয়োজনীয় নির্দেশের জন্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। বাবরের নামের পাশাপাশি, বাবরি মসজিদের নামও যাতে পুনরায় ব্যবহার করতে না-দেওয়া হয়, সেই আবেদনও জানান হয়েছিল সংশ্লিষ্ট মামলায়। কিন্তু শুক্রবার এই আবেদন শুনতে রাজি হল না শীর্ষ আদালত। তার পরই আবেদনকারীর আইনজীবী মামলাটিকে প্রত্য়াহার করে নেন।

এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চে মামলাটি শোনার জন্য আবেদন জানান সওয়ালকারীর আইনজীবী। সংশ্লিষ্ট মামলায় তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড (পড়ুন নিলম্বিত) হওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার বাবরি মসজিদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মামলাকারী। কিন্তু তারপরেও মামলা খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

এজলাসে মামলাকারীর আইনজীবী মোঘল সম্রাট বাবরকে ‘সাম্রাজবাদী’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর যুক্তি, দেশের অন্দরে বাবরের নামে নতুন করে কোনও মসজিদ বা স্থাপত্যনির্মাণ করা উচিত নয়। এমনকি, বাবর যেহেতু হিন্দুদের দাসে পরিণত করেছিলেন, তাই তাঁকে নতুন করে সম্মান প্রদানের কোনও জায়গা নেই বলেই বিচারপতি বেঞ্চকে জানান সওয়ালকারী।

তবে এই যুক্তি শোনার পরেও কোনও বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিচারপতি বেঞ্চ। মামলা গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে শীর্ষ আদালত। ফলত নিজে থেকেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন আইনজীবী। প্রসঙ্গত, গতবছরের ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর করেন জনতা উন্নয়ন পার্টির আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর। চলতি মাসের ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকেই তুঙ্গে বিতর্ক। একাংশের কাছে হুমায়ুন কবীর হয়ে উঠেছেন চক্ষুশূল। কিন্তু তাতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ জুপ-প্রধান।