Supreme Court: হদিশ নেই ‘গুপ্তচর বৌমার’, সপুত্র পলাতক রুশ তরুণীকে খুঁজতে কেন্দ্রকে ডেডলাইন সুপ্রিম কোর্টের

Supreme Court on Estranged Russian Wife: এই মর্মে মস্কোর দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। পাশাপাশি, আদালতের কাছে তিনি আবেদন করেন যেন আরও কয়েকদিন বাড়তি সময় দেওয়া হয়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের কথায়, 'রাশিয়ার সমস্ত সূত্রগুলিকে আমরা সক্রিয় ভাবে ব্যবহার করছি। আমাদের আরও কয়েক সপ্তাহ সময় দিলে আমরা এই নিয়ে একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে পারব।'

Supreme Court: হদিশ নেই গুপ্তচর বৌমার,  সপুত্র পলাতক রুশ তরুণীকে খুঁজতে কেন্দ্রকে ডেডলাইন সুপ্রিম কোর্টের
সৈকত বসু ও ভিক্টোরিয়া Image Credit source: নিজস্ব চিত্র

|

Jan 20, 2026 | 7:56 AM

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রকে বাড়তি সময় দিল দেশের শীর্ষ আদালত। এখনও অধরা চন্দননগরের বসু পরিবারের রুশ ‘গুপ্তচর বৌমা’ ভিক্টোরিয়া জিগালিনা এবং তাঁর পাঁচ বছরের শিশুপুত্র। তাঁদের খুঁজে বের করতেই কেন্দ্রের পক্ষের সওয়ালকারীর অনুরোধে সময়সীমা বাড়াল প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

সোমবার শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে চলছিল এই মামলার শুনানি। কেন্দ্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশর্য ভাটি। ল ট্রেন্ড — নামক আইনের খবর পরিবেশনকারী সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এজলাসে জানান, ভিক্টোরিয়া এবং শিশুটির সন্ধান পেতে কেন্দ্রের তরফে সকল প্রকার চেষ্টা চালানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ মেনে, ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিসও জারি করা হয়েছে।

এমনকি, এই মর্মে মস্কোর দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। পাশাপাশি, আদালতের কাছে তিনি আবেদন করেন যেন আরও কয়েকদিন বাড়তি সময় দেওয়া হয়। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেলের কথায়, ‘রাশিয়ার সমস্ত সূত্রগুলিকে আমরা সক্রিয় ভাবে ব্যবহার করছি। আমাদের আরও কয়েক সপ্তাহ সময় দিলে আমরা এই নিয়ে একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিতে পারব।’ এরপরেই আদালত তাঁর আবেদন মঞ্জুর করে চার সপ্তাহের সময়সীমা বরাদ্দ করে। বিচারপতিরা এও স্মরণ করিয়ে দেন যে ওই শিশুর নিরাপত্তা এবং সুস্থতাকে সুনিশ্চিত করা কেন্দ্রেরই দায়িত্ব। পাশাপাশি, তদন্তে গতি আনতে রুশ ফেডারেশন তদন্ত কমিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

উল্লেখ্য, চন্দননগরের যুবক সৈকত বসু। ২০১৭ সালে সোশ্য়াল মিডিয়ায় পরিচয় হওয়া রাশিয়ান বান্ধবী ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে বিয়ে করেন তিনি। ওই সময় ভিক্টোরিয়াও ভারতেই থাকতেন। কিন্তু বিয়ের পর চরমে অশান্তি। বসু পরিবার জানতে পারে, ভিক্টোরিয়ার বাবা রুশ গুপ্তচর। এমনকি, বিয়ের পরেই একাধিকবার কলকাতায় ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের সদর দফতরে আব্দার করেছিলেন ভিক্টোরিয়া। সেই থেকেই বাড়ে সন্দেহ। যা থেকে তৈরি হয় অশান্তি। সৈকতের অভিযোগ, এই সময়কালেই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান ভিক্টোরিয়া। যা ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

সোমবার সেই পালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্টও। বিচারপতিরা বলেন, ‘আমরা এমন কোনও নির্দেশ দিতে চাই না যা ভারত-রুশ সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে একটা শিশুর জীবন জড়িয়ে রয়েছে। আমরা শুধুই আশা করব, এটা যেন কোনও মানব পাচারের ঘটনা না হয়।’