Supreme Court: পঞ্চায়েত অফিসে হবে শুনানি, দিতে হবে পর্যাপ্ত আধিকারিক, কী কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট
SIR in Bengal: নির্বাচন কমিশনের তরফে আইনজীবী ছিলেন রাকেশ দ্বিবেদী। দোলা সেনদের পক্ষে শীর্ষ আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অভিযোগ ওঠে, ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বয়সের ফারাক নিয়ে স্বচ্ছতা না থাকার কারণে তথ্যগত গরমিল বলা হচ্ছে। নামের উচ্চারণে ফারাকের কারণে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশের আবেদন জানান সিব্বল।

নয়া দিল্লি: স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই বেশ কিছু আপত্তি ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়েও নিজেদের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেইসব দাবি-দাওয়া জানিয়ে, পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন ও ডেরেক ও ব্রায়েন। আজ, সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন তৃণমূলের একাধিক দাবিই মেনে নেওয়া হয়েছে।
কী কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট:
– কারা লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি (Logical discrepancy)-তে আছেন তাঁদের নামের তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে, ব্লক অফিসে এবং শহরে ওয়ার্ড অফিসে প্রকাশ করতে হবে।
– যাঁরা শুনানিতে ডাক পাচ্ছেন, তাঁদের হয়ে সওয়াল করার জন্য কোনও ব্যক্তিকে নিয়োগ করা যেতে পারে। এমনকী বিএলএদেরও নিয়োগ করা যেতে পারে। সেই ব্যক্তিকে স্বাক্ষর করে অথবা টিপ সই (thumb mark) দিয়ে চিঠি সহ অথরাইজ করতে হবে অর্থাৎ অনুমোদন নিয়ে যেতে হবে।
– পঞ্চায়েত অফিস বা ব্লক অফিসে শুনানি হবে। আগে এই নির্দেশ ছিল না। এত কম কেন্দ্রে, কেন এত মানুষের শুনানি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল।
– রাজ্য সরকারকে কমিশনকে পরিকাঠামোগত সহযোগিতা করতে হবে। পঞ্চায়েত ভবন বা ব্লক অফিসে শুনানির জন্য পর্যাপ্ত আধিকারিক দিতে হবে। কমিশনে জারি করা নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে।
– কোনও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাজ্যের ডিজিপিকে।
– যাঁরা তাঁদের ডকুমেন্টস বা অবজেকশন জমা দেননি, তাঁদের সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা করতে হবে। জমা করা নথি যদি সন্তোষজনক না হয়, তাহলে কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী এসআইআর প্রক্রিয়া থেকে নাম বাদ যাবে।
– যে ব্যক্তির নাম বাদ যাচ্ছে, তাঁর নথি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য শুনতে হবে, শুনানি করতে হবে।
– সুপ্রিম কোর্ট মৌখিকভাবে জানিয়েছে, অ্যাডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে গণ্য করা হবে, তবে লিখিত অর্ডারে তা উল্লেখ করা হয়নি।
