Supreme Court News: ‘এত ভয় পাচ্ছেন কেন?’, I-PAC কর্মীকে প্রশ্ন করে ইডিকে ফোন দেখার সুপ্রিম-অনুমতি

Supreme Court on ED Raid: বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুরু হয় শুনানি। মামলাকারী আইপ্যাক কর্মীর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী সিএ সুন্দরম। এদিন এজলাসে তিনি বলেন, 'ইডি জিতেন্দ্রর ফোন ঘাঁটার অনুমতি পেলে, তা তাঁর ব্যক্তি-গোপনীয়তার অধিকার আইনকে লঙ্ঘন করবে।' তাই পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ইডিকে তা থেকে বিরত রাখার আবেদন জানান তিনি।

Supreme Court News:  এত ভয় পাচ্ছেন কেন?, I-PAC কর্মীকে প্রশ্ন করে ইডিকে ফোন দেখার সুপ্রিম-অনুমতি
প্রতীকী ছবিImage Credit source: সংগৃহিত (Social Media)

|

Jan 24, 2026 | 9:18 PM

নয়াদিল্লি: মিলল না স্বস্তি। ব্যক্তি-গোপনীয়তার দায়কে গুরুত্ব দিল না দেশের শীর্ষ আদালত। খারিজ করল নির্বাচনী পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক-এর কর্মী জিতেন্দ্র মেহতার আবেদন। ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে।

ঘটনার সূত্রপাত, গত ৮ই জানুয়ারি। দিল্লি এবং কলকাতার আইপ্যাক অফিসে একযোগে তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই অভিযানের জল ইতিমধ্য়েই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। বাংলায় সম্মুখ সমরে নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলকে। সেই দিন দিল্লিতে আইপ্যাকে অফিসে তল্লাশির সময় এক কর্মীর ফোন বাজেয়াপ্ত করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এরপরেই ব্যাক্তি-গোপনীয়তার অধিকারকে সামনে রেখে শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হন ওই কর্মী।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুরু হয় শুনানি। মামলাকারী আইপ্যাক কর্মীর হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী সিএ সুন্দরম। এদিন এজলাসে তিনি বলেন, ‘ইডি জিতেন্দ্রর ফোন ঘাঁটার অনুমতি পেলে, তা তাঁর ব্যক্তি-গোপনীয়তার অধিকার আইনকে লঙ্ঘন করবে।’ তাই পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ইডিকে তা থেকে বিরত রাখার আবেদন জানান তিনি। কিন্তু পাল্টা প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সওয়ালকারী প্রশ্ন করেন, ‘ইডি আপনার মক্কেলের ফোন দেখলে কী হবে? এত ভয় পাওয়ার নির্দিষ্ট কোনও কারণ রয়েছে কি?’

যার উত্তরে আইপ্যাক কর্মীর সওয়ালকারীর যুক্তি, তাঁর মক্কেলের মৌলিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে আদালতেকে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হবে। কিন্তু সেই যুক্তিকে কার্যত খণ্ডন করে দেয় সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ। সাধারণ নাগরিকের ব্য়ক্তি-গোপনীয়তা কীভাবে রক্ষা করতে তা আদালত জানে বলেই পর্যবেক্ষণ বেঞ্চের। ইডিকে দেয় ‘গ্রিন সিগন্যাল’। যার নেপথ্য়ে প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের যুক্তি, কোনও বড় মাপের আর্থিক তছরুপ বা মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে ব্যক্তি-গোপনীয়তা বাধা হতে পারে না। তদন্তকারীরা মামলার স্বার্থে যতটা প্রয়োজন, সেই তথ্যই ব্যবহার করবেন।

ঠিক কী অভিযোগ?

কয়লা পাচার-কাণ্ডের টাকা ঘুরপথে গোয়ার নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে বলেই অভিযোগ তুলেছে ইডি। তাঁদের দাবি, গোয়ার নির্বাচনে ১০ কোটি টাকা ব্যবহার করা হয়েছে, যার উৎস কয়লা পাচার-কাণ্ড। গত ৮ই জানুয়ারি, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যা ঘিরে তুঙ্গে ওঠে পারদ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কাঠগড়ায় দাঁড় করায় ইডি।