AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court on ECI: ‘সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্দেশ দেওয়া যায় না’, কমিশনের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট

Supreme Court on Gyanesh Kumar Case: সোমবার (৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে নোটিস ইস্যু করে। শীর্ষ আদালতের তরফে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়, "সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে আদালত কোনও নির্দেশ দিতে পারে না।"

Supreme Court on ECI: 'সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্দেশ দেওয়া যায় না', কমিশনের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট
নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট।Image Credit: TV9 বাংলা
| Updated on: Oct 05, 2026 | 1:57 PM
Share

নয়া দিল্লি: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে মামলায় সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিল, “সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্দেশ দিতে পারে না আদালত”। এসআইআর সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নাকি সর্বসম্মতিতে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে জবাব চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

সংবাদপত্রে খবরের ভিত্তিতে নির্দেশ দিতে পারে না আদালত-

আজ, সোমবার (৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ নির্বাচন কমিশনকে নোটিস ইস্যু করে। শীর্ষ আদালতের তরফে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়, “সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে আদালত কোনও নির্দেশ দিতে পারে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এককভাবে এমন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন কি না, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানতে হবে।”

এই বিতর্কের সূত্রপাত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, গত ১০ মাসে ভোটার তালিকা, ভোটার নাম নথিভুক্ত করা এবং কমিশনের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী।

আদালত জানায়, “যদি দেখা যায়, সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতভাবে বা সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে নেওয়া হয়নি, তাহলে সেগুলির উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হতে পারে।” তবে একইসঙ্গে আদালত সতর্ক করে জানায়, সমস্ত সিদ্ধান্ত এককভাবে নেওয়া হয়েছে বলে আদালত নিজে থেকেই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারে না। আগে তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে দেয়, সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হয়েছিল, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে, সে বিষয়ে প্রামাণ্য তথ্য প্রয়োজন। মামলায় আবেদনকারীদের উদ্দেশে আদালত প্রশ্ন করে, “তাঁরা কি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করছেন?”

জবাবে আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, “নির্বাচন কমিশন ওই প্রতিবেদনে ওঠা অভিযোগগুলি অস্বীকার করেনি।”

এরপর আদালত জানায়, “সংবাদপত্রের প্রতিবেদন ১০০ শতাংশ সঠিক হতে পারে, আংশিক সঠিক হতে পারে, আবার ভুলও হতে পারে। আজ আমরা তার ভিত্তিতে কোনও নির্দেশ দিতে পারি না। আমরা অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের জবাব চাইব। যদি দেখা যায়, কোথাও আইন মেনে চলা হয়নি, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধন করার ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।”

Follow Us