What India Thinks Today: কীভাবে ব্রান্ড ভারত গড়ে তুলছেন প্রধানমন্ত্রী, ব্যাখ্যা করলেন নীতি আয়োগের প্রাক্তন কর্তা
Brand India: TV9 নেটওয়ার্কের আয়োজিত "হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে"র কনক্লেভে অমিতাভ কান্ত বলেন, "প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে অনাবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন, ভারত কোন ক্ষেত্রে কী সাফল্য অর্জন করেছে, তা তুলে ধরেছেন তিনি। বিগত ৮ বছরে ভারত ৪ কোটি বাড়ি তৈরি করেছে, যা অস্ট্রেলিয়ার সমান। ১১ কোটি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে, যা জার্মানির আয়তনের সমান। ৮০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, যা পৃথিবীর আয়তনের তিনগুণ। এই বিষয়গুলি তুলে ধরা প্রয়োজন।"

নয়া দিল্লি: ব্রান্ড ভারত, এই স্বপ্ন নিয়েই এগোচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ব্রান্ড ভারতকে শক্তি জোগাচ্ছে সফট পাওয়ার। কীভাবে ব্রান্ড ভারত গড়ে তুলছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, তাই-ই ব্যাখ্যা করলেন নীতি আয়োগের প্রাক্তন কর্তা তথা ভারতের জি-২০ র শেরপা অমিতাভ কান্ত। তিনি বলেন, “অনাবাসী ভারতীয়দের কাছে দেশের সাফল্য তুলে ধরতে বিশেষ কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।”
এ দিন TV9 নেটওয়ার্কের আয়োজিত “হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে”র কনক্লেভে অমিতাভ কান্ত বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে অনাবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন, ভারত কোন ক্ষেত্রে কী সাফল্য অর্জন করেছে, তা তুলে ধরেছেন তিনি। বিগত ৮ বছরে ভারত ৪ কোটি বাড়ি তৈরি করেছে, যা অস্ট্রেলিয়ার সমান। ১১ কোটি শৌচালয় তৈরি করা হয়েছে, যা জার্মানির আয়তনের সমান। ৮০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, যা পৃথিবীর আয়তনের তিনগুণ। এই বিষয়গুলি তুলে ধরা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী মোদী সেই কাজই করছেন। বিশ্বের ৪৬ শতাংশ রিয়েল টাইম পেমেন্ট হয় আমাদের দেশেই। চিনকে টেক্কা দিচ্ছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে এই বিষয়গুলি তুলে ধরেছেন। সেই কারণেই ব্যাঙ্ক অব ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্ট বলেছে, ভারত বিগত ৮ বছরে যা অর্জন করেছে, তা অর্জন করতে ভারতের ৫০ বছর সময় লেগে যেত।”
হার্ড পাওয়ার ও সফট পাওয়ারের তুলনা টেনে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১০ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি এবং ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি তৈরি করা হবে ২০৪৭ সালের মধ্যে। এর জন্য পার ক্যাপিটা আয় বাড়ানোর প্রয়োজন। তার জন্য প্রয়োজন হার্ড পাওয়ারের। সফট পাওয়ার তা নয়, দেখুন ভারতে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কী কী হচ্ছে। ৫টি গ্রামি পুরস্কার পেয়েছে, জাকির হুসেন ৩টি গ্রামি পেয়েছেন, রিকি কেজ ভারতের জন্য কী কী করছেন দেখুন। এটাই তো সফট পাওয়ার।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা হলাম ইয়ং ইন্ডিয়া। ভারতীয়দের গড় বয়স ২৮। ২০৪৭ সালেও গড় বয়স ৩৫ বছর হবে। ১৭০০ শতাব্দীতে ঔপনিবেশিক শাসনের আগে ভারতের ডিজিপি ছিল ২৪ শতাংশ, যখন ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তি পায়, তখন জিডিপি নেমে ৫ শতাংশে পৌছেছিল। সেখান থেকে আবার জিডিপিকে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে সকল ভারতীয়ের নিজের সংস্কৃতির উপরে গর্বিত হওয়া উচিত।”
কীভাবে উন্নতির পথে এগোবে ভারত, এর ব্যাখ্যা করে অমিতাভ কান্ত বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি করার জন্য সকল ভারতীয়ের পার ক্যাপিটা ইনকাম ১৭২৫০ ডলার করতে হবে। ১৪০ কোটির জনসংখ্যার দেশ আমরা। ভারতের উন্নতির এখন অনেক দিশা রয়েছে। ইলেকট্রিক মোবিলিটি, ব্যাটারি স্টোরেজ, সেমিকন্ডাকটার, মোবাইল উৎপাদন। বিগত দুই দশকে সমস্ত প্রযুক্তিগত আবিস্কারই পশ্চিমী দুনিয়ায় হয়েছিল। ভারত ওপেন মার্কেটিং করছে। স্টক মার্কেট, স্টার্টআপে ব্যাপক উন্নতি করছে। ১ মিনিটে ইন্সুরেন্স কেনা যাচ্ছে, কোনও দেশ এটা করতে পারেনি।”
