
তিরুবনন্তপুরম: স্পোর্টস অথোরিটি অব ইন্ডিয়ার হস্টেলে উদ্ধার দুই অ্যাথলিটের ঝুলন্ত দেহ। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল খেলাধূলা সংক্রান্ত এই কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার অন্দরে। সাতসকালে উদ্ধার হল দুই প্রশিক্ষণরত নাবালিকা খেলোয়াড়ের দেহ। মৃত্যুর কারণ ঘিরেও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ঘটনাস্থলে এসেছে পুলিশ।
ঘটনা কেরলের কোল্লাম জেলার। সেখানেই স্থিতু এই কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের ক্য়াম্পাস। রাজ্যজুড়ে খেলাধূলায় আগ্রহী যুবক-যুবতী যোগ দেন এখানে। এবার সেই অন্যতম প্রতিষ্ঠানে উদ্ধার হল দুই নাবালিকার দেহ। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, একজনের বয়স ১৫ বছর এবং অন্য়জনের বয়স ১৭ বছর। দু’জনেই যথাক্রমে কেরলের রাজধানী তিরুবনন্তপুরম এবং কোচিকোডের বাসিন্দা।
স্থানীয় থানা জানিয়েছে, একজন প্রশিক্ষণরত অ্যাথলিট এবং অন্যজন প্রশিক্ষণরত কবাডি খেলোয়াড়। দু’জনেই হস্টেলের একটি ঘরে এক সঙ্গে থাকত। বৃহস্পতিবার একসঙ্গেই দু’জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল তাঁদের কোচ। জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৫টা নাগাদ প্র্যাকটিস ছিল তাঁদের। মাঠে যাওয়ার কথা ছিল দুই নাবালিকার। কিন্তু আলো ফুটতে শুরু করে দিলেও, তাঁদের হদিশ মেলে না।
তখনই ওই দুই নাবালিকার কোচ পৌঁছে যান তাঁদের সংশ্লিষ্ট হস্টেল রুমে। ওই ছাত্রী আবাসনের অন্য় খেলোয়াড়রাও তাঁদের ডাকতে শুরু করে। কিন্তু কেউ দরজা খোলে না। পুলিশ জানিয়েছে, ‘বারংবার দরজার কড়া নেড়েও তাঁদের সাড়া পাওয়া যায়নি। সেই সময়ই হস্টেলের ওয়ার্ডেন ওই রুমের দরজা ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন। তারপর দরজা খুলতেই দেখা যায়, সিলিং ফ্য়ানের সঙ্গে প্যাঁচিয়ে গলা দড়ি দিয়েছন দুই নাবালিকা। শরীর একেবারে নিষ্প্রাণ।’
ইতিমধ্যেই দুই নাবালিকার দেহ উদ্ধার করেছে পূর্ব কোল্লাম থানা। পাঠিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা জানিয়েছেন, ‘আত্মহত্য়া নাকি খুন, সেই নিয়ে তদন্ত চলছে। মৃত্যুর কারণ ঘিরেও ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’