Ashwini Vaishnaw on Fake News: ফেক নিউজ বাড়াচ্ছে চিন্তা, সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কড়া আইন আনছে কেন্দ্র, জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব
Fake News & Social Media: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে যেভাবে ভুয়ো তথ্য ও এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ছে, তার উপরে নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে এমন এক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে যা দেশের সংবিধান অনুসরণ করতে চায় না বা আইন মানতে চায় না।

নয়া দিল্লি: সোশ্যাল মিডিয়া ও ফেক নিউজ নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। লোকসভায় কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বললেন, “ভুয়ো খবর অত্যন্ত গুরুতর একটি বিষয়। ভুয়ো খবর দেশের গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকি”। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির উপরে কড়া নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে যেভাবে ভুয়ো তথ্য ও এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ছে, তার উপরে নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া যেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাতে এমন এক পরিবেশ তৈরি হচ্ছে যা দেশের সংবিধান অনুসরণ করতে চায় না বা আইন মানতে চায় না। এই সমস্ত বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ করার এবং আরও কঠোর আইনের প্রয়োজন রয়েছে বলেই উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
নতুন কী কী নিয়ম আনা হয়েছে, এই প্রশ্নের উত্তরে সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন যে একাধিক নিয়ম আনা হয়েছে। কোনও বিতর্কিত বা ভুয়ো তথ্য প্রকাশিত হলে, ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে তা ডিলিট করার বিধান আনা হয়েছে। একটি খসড়া আইনও তৈরি করা হয়েছে যেখানে এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিয়ো চিহ্নিতকরণ এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার বিধান আনা হয়েছে।
সংসদীয় কমিটির কাজের প্রশংসা করেছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। নিশিকান্ত দুবে সহ কমিটির সকল সদস্যের ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরির জন্য।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ফেক নিউজ ও সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কিত বিষয়গুলি বাক স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার মধ্যে একটা সূক্ষ ভারসাম্যের সঙ্গে জড়িত। সরকার সংবেদনশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন, যা বিরাট প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এনেছে। যেহেতু দেশের প্রতিটি নাগরিককে প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া, তাই সরকার এই প্রতিষ্ঠান মজবুত করতে এবং সমাজের উপরে বিশ্বাস তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
