
আগ্রা: ক্লাসে চিৎকার-চেঁচামেচি করলেই শিক্ষিকার বলেন, “এটা মাছের বাজার নাকি”। যারা শিক্ষা দেন, তাঁরাই সত্যি সত্যি ‘মাছের বাজার’ বসিয়ে দিলেন। স্কুলের মধ্য়ে চুলোচুলি বাঁধল শিক্ষিকা ও প্রিন্সিপালের। দুজনেই চুলের মুঠি ধরে একে অপরকে মারলেন।এমনকী প্রিন্সিপালকে শিক্ষিকার চোখে খিমচি দিতেও দেখা যায়।
ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে আগ্রার একটি প্রাথমিক স্কুলে। দেরি করে আসা নিয়েই বচসা এবং সেখান থেকে হাতাহাতি বেঁধে যায় এক শিক্ষিকা ও স্কুলের প্রিন্সিপালের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের মারপিটের ভিডিয়োও ভাইরাল হয়েছে।
জানা গিয়েছে, স্কুলে ঢোকার সময় ছিল সকাল ৯টা। কিন্তু ১০টা বাজার পর স্কুলে এসেছিলেন শিক্ষিকা। দেরি করে আসায় শিক্ষিকাকে ধমক দিতে গিয়েছিলেন প্রিন্সিপাল। সেখান থেকেই বচসা বাঁধে। শিক্ষিকা প্রিন্সিপালকে বলেন, তিনিও বিগত চারদিন ধরে দেরিতে এসেছেন। এই নিয়ে ঝগড়া বেঁধে যায় দুজনের।
বচসা কিছুক্ষণের মধ্যেই মারপিটে পরিণত হয়। একে অপরকে গালিগালাজ, মারধোর করতে থাকেন। স্টাফরুমে উপস্থিত বাকি শিক্ষক, শিক্ষিকারা তাদের আটকানোর চেষ্টা করলেও ব্য়র্থ হন। শেষ অবধি দেখা যায়, প্রিন্সিপালের জামার সামনের অংশ ছিঁড়ে গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রিন্সিপালও শিক্ষিকার চুল টেনেছেন এবং চোখে আঘাত করেছেন বলে অভিযোগ।
শিক্ষিকা ও প্রিন্সিপাল-দুজনেই পুলিশের কাছে একে অপরের নামে অভিযোগ করেছেন। তবে কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি।