
নয়া দিল্লি: ৭ এপ্রিলের মধ্যে বিবেচনাধীন সমস্ত ভোটারের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ স্পষ্ট করে দিল। এদিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাইবুনাল নিয়েও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে।
১. জুডিশিয়াল অফিসারদের সম্মানিক অর্থ, পরিবহনের খরচ অন্যান্য পরিকাঠামো কত খরচ কমিশনকে দিতে হবে।
২. ২০ মার্চ ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠনের কথা জানানো হয়েছে। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিরা দায়িত্বে আছেন। জলশক্তি ভবনের অফিসে ট্রাইবুনাল তৈরি হচ্ছে। আট সপ্তাহের জন্য ব্যবহার করা হবে। অনুমতি নেওয়া হয়েছে। অ্যাপিলেট ট্রাইবুনাল কলকাতায় কাজ করবে।
৩. বিচারকদের প্রশিক্ষণের কাজ বুধবারের মধ্যে শেষ হবে। অনলাইন এবং অফলাইন আবেদন কী কী জমা পড়েছে, তার সম্পর্কে আপডেট বিচারকদের কাছে থাকবে। ট্রাইবুনালের কাছে আবেদনকারীর জমা দেওয়া তথ্য ও রেকর্ড থাকবে। প্রয়োজনে ট্রাইবুনালের আরও বিকল্প জায়গা তৈরি করা হবে। এ বিষয়ে কমিশন ‘এক্সটেনশন’ চাইতে পারে।
৪. প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, যাঁদের নাম বিচারাধীন, কেন তাঁদের নাম বাদ গেল সেই বিষয়ে কারণ দর্শানো হয়নি। কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছেন, অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনালের কাছে কোন ব্যক্তির নাম কেন বাদ গিয়েছে বা যুক্ত হয়েছে, সেই সম্পর্কে কারণ উল্লেখ করে সব তথ্য থাকবে। কোন কেসের বিচার করার সময় আপেলেট ট্রাইব্যুনালের হাতে যাতে সব তথ্য থাকে এ বিষয়ে বিচারকদের দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
৫. অ্যাপেলেট ট্রাইবুনাল কীভাবে কাজ করবে তা তারা নিজেরা ঠিক করবে।
৬. প্রত্যেক জমা দেওয়ার নথি ভেরিফাই করতে হবে।
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, ৭ এপ্রিলের মধ্যে সব মামলা নিষ্পত্তি হবে। তাই পরবর্তী শুনানি ৬এপ্রিল নির্ধারিত করে সুপ্রিম কোর্ট।