India on Iran: কোন দিকে নয়া দিল্লি? ইরান নিয়ে বিদেশ নীতি বদলাচ্ছে ভারত?
Iran Crisis: মোদী সরকারের বিদেশ নীতিরও তীব্র সমালোচনা করেছেন সনিয়া গান্ধী। ধরেছেন কলম। 'ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানকে টার্গেট করে হত্যায় নয়া দিল্লির নীরবতা নিরপেক্ষতার পরিচয় দেয় না।' একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের পোস্ট এডিটে লিখলেন সোনিয়া। সনিয়ার লেখা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট রাহুল গান্ধীর।

নয়া দিল্লি: এবার কি ইরান নিয়ে বিদেশ নীতি বদলাচ্ছে ভারত? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে পুরোদমে চর্চা শুরু আন্তর্জাতিক মহলে। UAE-র পর এবার সৌদি আরব এবং বাহারিনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে কথা বলে ইরানের নাম না করে তাদের দেশে হামলার নিন্দা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কথা বললেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানইয়াহু-র সঙ্গেও। কথা বলেছেন জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ ২ এর সঙ্গেও। কিন্তু এখনও নয়া দিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের আবেদন মেনে খামেইনির হত্যার প্রতিবাদ করেনি ভারত।
এদিকে মোদী সরকারের বিদেশ নীতিরও তীব্র সমালোচনা করেছেন সনিয়া গান্ধী। ধরেছেন কলম। ‘ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানকে টার্গেট করে হত্যায় নয়া দিল্লির নীরবতা নিরপেক্ষতার পরিচয় দেয় না।’ একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের পোস্ট এডিটে লিখলেন সোনিয়া। সনিয়ার লেখা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট রাহুল গান্ধীর। তা নিয়েও চর্চা চলছে পুরোদমে। এরইমধ্যে এবার কূটনৈতিক মহলের প্রশ্ন, তবে কি এবার বিদেশ নীতির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অক্ষ নিরপেক্ষতার অবস্থান থেকে সরছে ভারত?
বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, সব রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় ভারতীয়দের নিরাপত্তাই যে তাঁর কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গতকাল নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠকের পরেও মোদী বলেছেন, ভারতীয়দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে যুদ্ধ বিপর্যস্ত দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারত। একইসঙ্গে, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ার সমস্যা সমাধানের পক্ষপাতী যে ভারত সে কথাও ফের একবার সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী।
অন্যদিকে, কংগ্রেস সাংসদ তথা বিদেশনীতি বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য মনীষ তিওয়ারির অভিযোগ, যুদ্ধের মাধ্যমে ক্ষমতা প্রয়োগ করে কোন সার্বভৌম দেশের সরকার উৎখাত করাকে ভারত কোনওদিনই সমর্থন করেনি। এখন এই অবস্থায় খোলাখোলি নয়া দিল্লি কোনও অবস্থান নেয় কিনা সেদিকে অবশ্যই নজর থাকছে আন্তর্জাতিক মহলের।
