
কলকাতা: মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা(NIA)-র। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মোথাবাড়িকাণ্ডের তদন্তভার NIA নিয়েছে। আর তদন্তভার হাতে নিয়েই ১২টি এফআইআর দায়ের করেছে। আর সেই ১২টি FIR-র কপি এবার জমা পড়ল এনআইএ আদালতে। বৃহস্পতিবার এনআইএ আদালতের বিচারক সুকুমার রায়ের এজলাসে তা জমা পড়ে।
এনআইএ সূত্রে দাবি, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে খুনের চেষ্টা, অন্যায়ভাবে কাউকে আটকে রাখা, সরকারি কর্মীদের উপর হামলার মতো ধারা। আবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্য পুলিশের কাছ থেকে সব নথি ও অভিযুক্তদের এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এনআইএ আদালতে আবেদন করা হয়েছে। মোথাবাড়িকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৪৭ জন ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাদের নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
এর আগে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ২৫ পাতার রিপোর্ট জমা দেয় এনআইএ। ওই ২৫ পাতার রিপোর্টে আক্রান্ত বিচারকদের বয়ানের পাশাপাশি মোথাবাড়ি অঞ্চলের ২২ জন বিএলও-র জবানবন্দি রয়েছে। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ঘটনার দিন পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ ছিল এবং প্রশাসনের তরফে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা তুলে ধরা হয় রিপোর্টে।
এদিকে, মোথাবাড়িকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত হিসাবে CID গ্রেফতার করেছিল মোফাক্কেরুল ইসলামকে। তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে এনআইএ। যদিও মোফাক্কেরুল ইসলামের আইনজীবীদের দাবি, NIA-এর তরফে হেফাজতে নেওয়ার পুট আপ এখনও তাঁরা পাননি। ইতিমধ্যেই পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেই একমাত্র TV9 বাংলার ক্যামেরার সামনে মোফাক্কেরুল ইসলাম জানিয়েছেন, NIA-এর তদন্তে তিনি সবরকম সহযোগিতা করবেন।