Sabyasachi Dutta Gold Recovery: তদন্তকারীদের হাতে চলে আসে মোক্ষম প্রমাণ, কেন জেরায় বান্ধবী টিনার কথা নিজেই স্বীকার করতে বাধ্য হন সব্যসাচী? কী প্রমাণ?
Sabyasachi Dutta Gold Recovery: সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বিচারকের কাছে আবেদন জানান, " আমরা প্রিভেনশন অফ করাপশন আইনের ১৩ নম্বর ধারা যোগ করতে চাই।" তিনি উল্লেখ করেন, "পুলিশ গতকাল সাড়ে তিন কেজি সোনা, দেড় কেজি রুপো এবং আরও একটি জায়গা থেকে ৩ কেজি সোনা উদ্ধার করেছি।" সব্যসাচীর এক অনুগামী থেকে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকাও পাওয়া গিয়েছে বলে আদালতে উল্লেখ করেন।

কলকাতা: সব্যসাচী দত্তের বান্ধবীর বাড়ি থেকে উদ্ধার কেজি কেজি সোনা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর বাড়ি থেকে যখন কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উদ্ধার হয়েছিল, তখন তাজ্জব বনেছিল গোটা বাংলা। এবার আরও একবার। একসঙ্গে ভরি ভরি এত সোনা দেখে তদন্তকারীদেরও চক্ষু চড়কগাছ। উত্তর বিধাননগর কাট টু নদিয়ার করিমপুর। সব্যসাচী দত্তের বাড়ি থেকে সোজা করিমপুরের তৃণমূল নেত্রী টিনা ভৌমিক সাহার বাড়ি। মঙ্গলবার সকালে সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ। ছিলেন সব্যসাচী। নদিয়া জেলা পরিষদের সদস্যা টিনার ছাপোষা বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৩ কেজি সোনার গয়না। আগেই অবশ্য সব্যসাচীর বাড়ি থেকে ৩.৫ কেজি সোনা ও ১.৫ কেজি রুপো উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিধাননগর আদালতে পেশ করা হয় সব্যসাচীকে।
সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বিচারকের কাছে আবেদন জানান, ” আমরা প্রিভেনশন অফ করাপশন আইনের ১৩ নম্বর ধারা যোগ করতে চাই।” তিনি উল্লেখ করেন, “পুলিশ গতকাল সাড়ে তিন কেজি সোনা, দেড় কেজি রুপো এবং আরও একটি জায়গা থেকে ৩ কেজি সোনা উদ্ধার করেছি।” সব্যসাচীর এক অনুগামী থেকে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকাও পাওয়া গিয়েছে বলে আদালতে উল্লেখ করেন।
আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, ব্যাঙ্ক লকার সব্যসাচী দত্ত ও তাঁর স্ত্রীর যৌথ নামে ছিল। এখন থেকে এই মামলার তদন্ত করবেন একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, দুর্নীতিদমন আইনের ধারা যোগ হলে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার তদন্ত করেন।
আদালতে আইনজীবী জানান, “যখন অপরাধ হয়েছে, তখন সব্যসাচী দত্ত বিধায়ক ছিলেন। তাই পরবর্তী শুনানি এমপি-এমএলএ কোর্টে হবে।” উল্লেখ্য, এই বিষয়টি বিধানসভা দাঁড়িয়ে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনিও বলেছেন, তৃণমূলের নেতা ও তাঁর বান্ধবীর বাড়ি থেকে যে কেজি কেজি সোনা পাওয়া গিয়েছে, সব একুশ সালের পরে কেনা। রসিদও পাওয়া গিয়েছে।
কিন্তু প্রশ্ন এই টিনা ভৌমিক সাহার খোঁজ কীভাবে পেলেন তদন্তকারীরা? জানা যাচ্ছে, সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট দেখতে পান তদন্তকারীরা। সেখানে একজন ‘মহিলা’ অনেক ক্ষেত্রেই কমন ছিলেন। সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট দেখেই সন্দেহ হয় তদন্তকারীদের। সেই পোস্ট দেখিয়ে মহিলার পরিচয় জানতে চান সব্যসাচীর কাছে। জেরায় তিনি স্বীকার করে বলে সূত্রের খবর। সব্যসাচীর বয়ান অনুযায়ীই তাঁকে নিয়ে নদিয়ায় টিনার বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়িতে তল্লাশি হয়।
