AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Cyber Crime: সাবধান, ওটিপি-পিন নম্বরের দিন শেষ, এখন নয়া সাইবার জালিয়াতি

Behala: গত ২৩ মে গুগল করে রেফ্রিজারেটর দেখছিলেন সুজিত সেন। সেই সময়ই একটি নম্বর নজরে আসে। টোল ফ্রি হওয়ায় ফোনও করেন বলে জানান ওই বৃদ্ধ। তিনি বলেন, ওই নম্বরে ফোন করলে উত্তর আসেনি। তবে কিছুক্ষণ পরে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। তিনটে কোম্পানির রেফ্রিজারেটর নিয়ে কথাও বলে।

Cyber Crime: সাবধান, ওটিপি-পিন নম্বরের দিন শেষ, এখন নয়া সাইবার জালিয়াতি
বেহালার বাসিন্দা সুজিত সেন।Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 23, 2024 | 12:14 AM
Share

কলকাতা: বড়সড় প্রতারণার ফাঁদ। ১৪ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক বৃদ্ধ। সব হারিয়ে মাথায় হাত বেহালার বাসিন্দা সুজিত সেনের (৭০)। হঠাৎই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৪ লক্ষ টাকা গায়েব হয়ে যায় ওই বৃদ্ধের। সেভিংস ও ফিক্সড ডিপোজিট মিলিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা কার্যত উধাও হয়ে গিয়েছে। ফ্রিজ কিনবেন বলে গুগলে সার্চ করেছিলেন। সেখান থেকে পেয়েছিলেন টোল ফ্রি নম্বর। সেই নম্বরে ফোন করলে ধরেনি কেউ। তবে সেই ফোনই কাল হয় বেহালার সুজিত সেনের। আপাতত থানা, সাইবার সেল ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। কেউ যদি টাকাটা ফিরিয়ে দিতে পারেন!

গত ২৩ মে গুগল করে রেফ্রিজারেটর দেখছিলেন সুজিত সেন। সেই সময়ই একটি নম্বর নজরে আসে। টোল ফ্রি হওয়ায় ফোনও করেন বলে জানান ওই বৃদ্ধ। তিনি বলেন, ওই নম্বরে ফোন করলে উত্তর আসেনি। তবে কিছুক্ষণ পরে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। তিনটে কোম্পানির রেফ্রিজারেটর নিয়ে কথাও বলে।

সুজিত সেনের কথায়, “আমাকে স্ক্রিনে কয়েকটা জায়গায় বলল টাচ করতে। ওটিপি বা পিন নম্বর চাইলে আমি কখনওই দিতাম না। কিন্তু স্ক্রিন টাচের বিষয়টা না বুঝে করে ফেলি। তারপরই ২৩ তারিখ সন্ধ্যা থেকে আমার ফোন কাজ করা বন্ধ। ফোনের দোকানে গেলে বলে সিমের গোলমাল। এরপর নতুন সিম নিতে গিয়ে বায়োমেট্রিক করতে গিয়ে জানতে পারি আমার আধার নম্বর লক করা।”

এরইমধ্যে ২৮ তারিখ তিনি এটিএমে ব্যালেন্স চেক করতে যান। সেখানে পিন নম্বর ‘ইনকারেক্ট’ বলায় তাঁর সন্দেহ হয়। পরদিনই ছেলে ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর বাবার সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার ১৭ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

এখানেই শেষ হয়। আরও মারাত্মক অভিযোগ সুজিতবাবুর। তাঁর কথায়, “গত বছর গার্ডেনরিচে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে এফডি করেছিলাম। সেটাও নেই। আমার নামে ওডি নিয়ে ১০ লক্ষ ২০ হাজার টাকাও তুলে নিয়েছে। অথচ সার্টিফিকেট আমার কাছে। ব্যাঙ্কে যে কী চলছে জানি না। আমার কাছে সার্টিফিকেট, কেউ টাকা তুলে নিল কীভাবে তার কোনও জবাব নেই।”

যদিও ওই শাখার ব্যাঙ্ক ম্যানেজার রাকেশ কুমার জানান, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ে কাউকে ভুল করে গ্রাহক যদি তথ্য জানিয়ে দেন, তাহলে করতে পারে।

Follow Us