Kolkata: কলকাতায় হাসপাতালের বাইরে মায়ের কোলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল একরত্তি, পরিবার বলছে…

Controversy over Child death: শিশুটি মারা যাওয়ার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। চিকিৎসার গাফিলতিতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগ তুলে মৃত শিশুর পরিবার বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মৃত শিশুর বাবা বলেন, "ওআরএস খাওয়ানোর কথা বলে ছেড়ে দেয়। আমি বারবার ভর্তি নেওয়ার কথা বলি। তখন ডাক্তার বলেন, এখানে কী লেখা রয়েছে? ৪৫ মিনিট পর ওআরএস খাওয়াবে। হাসপাতালে ভর্তি নিলে আজ আমার ছেলেকে হারাতে হত না।"

Kolkata: কলকাতায় হাসপাতালের বাইরে মায়ের কোলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল একরত্তি, পরিবার বলছে...
প্রতীকী ছবিImage Credit source: TV9 Network

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Feb 08, 2026 | 11:51 PM

কলকাতা: হাসপাতালে বাইরে বসে রয়েছেন এক মহিলা। কোলে এক শিশুপুত্র। মহিলা উদ্বিগ্ন। একসময় মহিলার কোলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে একরত্তি। এরপরই হাসপাতালে বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মৃত শিশুর পরিজনরা। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগানে বিসি রায় শিশু হাসপাতালের সামনে। অভিযোগ, হাসপাতালে শিশুটিকে ভর্তি না নিয়ে তার মাকে বাইরে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।

নিউটাউন রাজারহাটের বাসিন্দা আব্দুর রহিম গতকাল রাতে তাঁর দেড় বছরের শিশুপুত্রকে নিয়ে বিসি রায় শিশু হাসপাতালে এসেছিলেন। শিশুটির ডায়েরিয়া ও বমি হচ্ছিল। ডাক্তার শিশুকে ওআরএস খাওয়ানোর কথা জানিয়ে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ। ভর্তি না নিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

রবিবার সকালে শিশুটিকে নিয়ে ফের হাসপাতালে আসে তার পরিবার। এবারও শিশুটিকে ভর্তি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। অসুস্থ সন্তানকে কোলে নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ বাইরে বসেছিলেন তার মা। ধীরে ধীরে মায়ের কোলেই নিস্তেজ হয়ে যায় শিশুটি। মায়ের কোলেই মারা যায়।

শিশুটি মারা যাওয়ার পরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। চিকিৎসার গাফিলতিতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগ তুলে মৃত শিশুর পরিবার বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। মৃত শিশুর বাবা বলেন, “ওআরএস খাওয়ানোর কথা বলে ছেড়ে দেয়। আমি বারবার ভর্তি নেওয়ার কথা বলি। তখন ডাক্তার বলেন, এখানে কী লেখা রয়েছে? ৪৫ মিনিট পর ওআরএস খাওয়াবে। হাসপাতালে ভর্তি নিলে আজ আমার ছেলেকে হারাতে হত না।” বলতে বলতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতালের সামনে লুটিয়ে পড়েন মৃত শিশুর মাও। তিনি বলেন, “আমার ছেলে শুধু পাপা বলত। আমি যতই বলি, মা বল, শুধু পাপা বলত।” চিকিৎসার গাফিলতিতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এখনও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।