Abhishek Banerjee Office: অফিসে ঢুকতেই পুরসভার কর্মীদের গায়ে হাত অভিষেকের! পুলিশের কলার টেনে হিঁচড়ে চলতে থাকে কিল চড় ঘুষি
Chaos In Abhishek Banerjee Office: তুলকালাম পরিস্থিতি ক্যামাক স্ট্রিটে। বিল বোর্ড ভাঙতে এসে অভিষেকের রোষের মুখে পুরসভা-পুলিশ। পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা অভিষেকের। অভিষেকের অফিসের কর্মীদের সঙ্গে রীতিমতো হাতাহাতি পুলিশের। তৃণমূলের মহিলা সদস্যদের পুরকর্মী-মহিলা পুলিশদের মধ্যে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি।


ঝামেলার সূত্রপাত ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বাইরে একটা হোর্ডিংকে ঘিরে। পুরসভার কর্মীদের অভিযোগ, এই হোর্ডিং অবৈধ। তা নিয়ে পুলিশের তরফ থেকে তাদের কাছে অভিযোগ আসে। তার ভিত্তিতেই হোর্ডিং খুলতে আসেন তাঁরা। পুরসভার কর্মী বলেন, “আমাদের কাছে ওপর থেকে অর্ডার এসেছে। ওই বিল বোর্ডটা সরিয়ে দেওয়ার জন্য। এটা বেআইনি, এর অনুমতি নেই। ওদের বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের অর্ডারের মধ্যে ওনার ছবি নেই। সেই ছবি করিয়ে আবার আনা হচ্ছে।”
যদিও অভিষেকের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ওরা ভুলে গিয়েছেন, ওদের মাইনা সাধারণ মানুষের করের টাকায় হয়। কোন পার্টি কোথায় হোর্ডিং লাগাবে, এই রাস্তা জুড়ে তো ওদের হোর্ডিং। আমার অফিসের বাইরে আমি কী বোর্ড লাগাব, সেটা ওরা ঠিক করবে? এটা গণতন্ত্রের নমুনা। অর্ডার ঠিক করতে নিয়ে গিয়েছে। বিল বোর্ড বাইরে, ভিতরে ঢুকবেন কেন? অভিযোগ কবে হয়েছে, তার ডিটেইলসও নেই।”

হোর্ডিং খুলতে এলেই প্রথমে বাধা দেন অভিষেক। এরপরই পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দেড় ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে পুলিশের সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের কর্মীদের হাতাহাতি। ছবিতে ধরা পড়ে, উর্দি পরা পুলিশের কলার টেনে হিঁচড়ে চলতে থাকে কিল চড় ঘুষি।
শেষমেশ পৌনে ছ’টার পর পুলিশ পুরসভার কর্মীরা ভিতরে ঢোকেন। বিল বোর্ড গ্যাস কাটার দিয়ে কাটা হয়। অভিষেক বলেন, “এখন ৫.৫৭ বাজে, এখনও বোর্ড কাটার কাজ চলছে। সূর্যাস্তের পর বিল বোর্ড এভাবে ভাঙা, একেবারেই অসাংবিধানিক। “
