AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

WBJDF-এর ট্রাস্টি বোর্ড থেকে ইস্তফা অনিকেত মাহাতোর, কোন কারণে হাত ছাড়লেন সহযোদ্ধাদেরই?

Aniket Mahato: সূত্র মারফত এও জানা যাচ্ছে, ট্রাস্ট ও কমিটির মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। আইনি পরামর্শ না মেনে কমিটি তৈরির অভিযোগ অনিকেতের। এই আবহেই বোর্ড অফ ট্রাস্টির সভাপতি হিসাবে নতুন যে বোর্ড তৈরি হচ্ছে সেখানে থাকা সদস্যদের সঙ্গে অনিকেতের মতবিরোধ প্রকাশ্যে চলে আসে।

WBJDF-এর ট্রাস্টি বোর্ড থেকে ইস্তফা অনিকেত মাহাতোর, কোন কারণে হাত ছাড়লেন সহযোদ্ধাদেরই?
অনিকেত মাহাতো Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 01, 2026 | 9:16 PM
Share

কলকাতা: ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফর্ন্ট্রের বোর্ড অফ ট্রাস্টি থেকে পদত্যাগ অনিকেত মাহাতোর। আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন এই অনিকেত। বড় ভূমিকা নিয়েছিল WBJDF-ও। তাই অনিকেতের ইস্তফা ঘিরে স্বভাবতই তৈরি হয়েছে চাপানউতোর। সূত্রের খবর, WBJDF-এর এগজিকিউটিভ কমিটি গড়া নিয়ে মতবিরোধের জেরেই এই সিদ্ধান্ত অনিকেতের। ট্রাস্টি বোর্ডের অন্য সদস্য়ের মতের সঙ্গে মিল হচ্ছে না অনিকেতের। তাতেই শেষ পর্যন্ত বড় সিদ্ধান্ত। 

সূত্র মারফত এও জানা যাচ্ছে, ট্রাস্ট ও কমিটির মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। আইনি পরামর্শ না মেনে কমিটি তৈরির অভিযোগ অনিকেতের। এই আবহেই বোর্ড অফ ট্রাস্টির সভাপতি হিসাবে নতুন যে বোর্ড তৈরি হচ্ছে সেখানে থাকা সদস্যদের সঙ্গে অনিকেতের মতবিরোধ প্রকাশ্যে চলে আসে। পদত্যাগ পত্রেও তার ছাপ স্পষ্ট। সেখানে অনিকেত লিখছেন বেশ কিছু বিষয়ে যেখানে আইনি পরামর্শ দরকার, আইনি পথে চলা দরকার সেগুলিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তাঁর মতামতকেও উপেক্ষা করা হয়েছে।

অনিকেত মাহাতো বলছেন, “যে সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে আমি লড়াই করেছি তার বিরুদ্ধেই কথা বলা সত্য়িই দুঃখের, বেদনার। সংগঠন থেকে বেরিয়ে আসা খুবই কষ্টের। আমাদের সহযোদ্ধারা যে কমিটি তৈরি করতে চেয়েছেন তার সঙ্গে আমিও ছিলাম। কিন্তু আমি নতুন বডি তৈরির জন্য আইনি পরামর্শ নেওয়ার কথা বলেছিলাম। কারণ তাহলে সেটা মান্যতা পেত। আর তা ছাড়া সমস্ত মেডিকেল কলেজের পড়ুয়াদের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার দরকার ছিল বলে আমার মনে হয়। কারণ ২৬ থেকে ২৭টি মেডিকেল কলেজের পড়ুয়াদের নিয়েই WBJDF লড়াই করেছে। কিন্তু এই দুই যখন মানা হল না তখনই আমি পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”  

প্রসঙ্গত, আরজি কর আন্দোলনের সময় যে বিপুল পরিমাণ টাকা তাঁরা অনুদান হিসাবে পেয়েছিল সেই টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে তা নিয়ে বারবার শাসকদলের তোপের মুখে পড়েছিলেন অনিকেতরা। বিশেষ করে লাগাতার খোঁচা দিতে দেখা গিয়েছিল কুণাল ঘোষকে।