AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Partha -Arpita: ‘উদ্ধার হওয়া টাকা, গয়না সব পার্থর’, দাবি অর্পিতার

SSC Scam: সম্প্রতি ইডির তরফে যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, তাতে অর্পিতার নামে ৩১ টি জীবন বিমার কথা বলা হয়েছে। আর সেই জীবন বিমার প্রিমিয়ামও ছিল মোটা অঙ্কের। ইডির আইনজীবী আগেই দাবি করেছিলেন, অর্পিতার এই বিমার প্রিমিয়াম বাবদ টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতেন পার্থ।

Partha -Arpita: 'উদ্ধার হওয়া টাকা, গয়না সব পার্থর', দাবি অর্পিতার
পার্থ ও অর্পিতা
| Edited By: | Updated on: Sep 20, 2022 | 4:31 PM
Share

কলকাতা: উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা ও গয়না সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, এমনই দাবি করেছেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। ইডির জমা দেওয়া চার্জশিটে এমনই উল্লেখ রয়েছে। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে যৌথভাবে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সম্প্রতি ইডির তরফে যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, তাতে অর্পিতার নামে ৩১ টি জীবন বিমার কথা বলা হয়েছে। আর সেই জীবন বিমার প্রিমিয়ামও ছিল মোটা অঙ্কের। ইডির আইনজীবী আগেই দাবি করেছিলেন, অর্পিতার এই বিমার প্রিমিয়াম বাবদ টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতেন পার্থ। সেই টাকার মোট অঙ্ক প্রায় দেড় কোটি।

ইডির তরফে জমা দেওয়া চার্জশিটে উঠে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, অর্পিতা দাবি করেছেন উদ্ধার হওয়া টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। এলআইসি, সেল কোম্পানিও সব পার্থ বাবুরই। এমনকী নগদ টাকা ও গহনা… যা পাওয়া গিয়েছে, সবই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের, এমনই দাবি করেছেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অর্পিতা জানিয়েছেন, তিনি আগে ভয়ে ছিলেন যে তাঁর ও তাঁর মায়ের প্রাণহানি হতে পারে। সেই কারণে তিনি এই কথা আগে বলেননি।

উল্লেখ্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি অঙ্কের টাকার পাহাড় উদ্ধার করেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ৫০০ টাকা ও ২০০০ টাকার নোটের গাদা পাওয়া গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি সোনার গয়না, সোনার বার, ভারী ভারী সোনার বালা, সোনার পেন… পাওয়া গিয়েছিল। এরপর তদন্ত প্রক্রিয়া যত এগিয়েছে, ততই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে। এমন বেশ কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে, যা থেকে ইঙ্গিত মিলেছে, অন্তত ২০১২ সাল থেকে পার্থ ও অর্পিতার যোগাযোগ ছিল। উভয়ের নামে একাধিক যৌথ সম্পত্তিও হদিশ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। আর এরই মধ্যে ইডির জমা করা চার্জশিটে উঠে এল, অর্পিতার দাবি। তিনি দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া সব টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।