
কলকাতা: কাঁকুলিয়ার বোমাবাজির ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬। মঙ্গলবার আরও দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বাবু সোনা ওরফে রাহুল দাসকে এদিন গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই সঙ্গে পুলিশের জালে শুভঙ্কর রায় নামে আরও এক দুষ্কৃতী। এরা দু’জনেই শাগরেদ বলে পাপ্পুর পরিচিত। এদিন দুপুরেই ফেসবুক লাইভে কথা বললেও, এখনও পর্যন্ত পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ।
এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড। চলে বোমাবাজি, গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। এলাকার ত্রাস পাপ্পু সোনার নেতৃত্বে ও তাণ্ডব চলবে বলে বলে অভিযোগ ওঠে। পাপ্পু সোনার মাথায় শাসক দলের দাপুটে নেতাদের হাত আছে বলেও অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই ঘটনায় একে একে মোট ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বাবু সোনা ও শুভঙ্কর ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছিলেন। এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের গোপন ডেরা থেকে গ্রেফতার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই পাপ্পুর কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে পুলিশ।
এদিকে পুলিশ ধরতে না পারলেও ফেসবুকে লাইভ করেছেন সোনা পাপ্পু। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার দিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। সেই প্রমাণও নাকি আছে তাঁর কাছে। তিনি আরও বলেছেন, “আমার বাবার তিনটে সোনার দোকান আছে,
আমরা বিড়ি কুড়িয়ে খাওয়ার লোক নয়।”
ঘটনার দিন ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৈতালি চট্টোপাধ্যায়, তাঁর স্বামী তথা ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় দু’জনেই ঘটনাস্থলে যান। বৈশ্বানরকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মহিলারা।